বাড়িতে আনাচে কানাচে কত শত জিনিস পড়ে থাকে, নিতান্তই অবহেলায়। কিন্তু জ্যোতিষশাস্ত্র মেনে যদি তার সঠিক ব্যবহার করা যায়, তবে ফল হয় দুর্দান্ত। তাই কোন জিনিস কোথায় রাখবেন তা একটু জেনে নিলেই দুর্ভাগ্য কাটে। জীবনে আসে সুখ শান্তি ও সমৃদ্ধি। অর্থের অভাব দূর হয়ে হাসি ফোটে পরিবার পরিজনের মুখে। এই পরিস্থিতি সকলেই চান। তাই কিছু টোটকা রয়েছে, যা মেনে চললে মন্দ ভাগ্য দূর হয়।

জ্যোতিষ বিদ্যা অনুসারে যদি আপনি আর্থিক মন্দার মুখোমুখি হন, তবে তা কাটিয়ে ওঠার কিছু টোটকা রয়েছে। কারণ লক্ষ্মী চঞ্চলা। তাই অর্থ সঞ্চয় করে রাখা বেশ কঠিন। জ্যোতিষবিদরা বলছে পাঁচটি জিনিস যদি কোনও ভাবে কোনও ব্যক্তির মানিব্যাগে রাখা যায়, তবে অর্থের অভাব জীবন থেকে কেটে যাবে।

১. অশ্বত্থ পাতা – প্রচলিত বিশ্বাস রয়েছে মানিব্যগে একটি অশ্বত্থ পাতা রাখলে দুর্ভাগ্য দূর হয়। পুরাণ মতে, অশ্বত্থ পাতা সব সময় শুভ যোগ ঘটায়। তাই একটি তাজা অশ্বত্থ পাতা নিয়ে তা গঙ্গাজলে ধুয়ে মানিব্যাগে রেখে দিন। টাকার অভাব কখনও হবে না। পাতাটি শুকিয়ে গেলে সেটি ফেলে দিয়ে আর একটি পাতা ব্যাগে রাখুন।

২. জ্যোতিষবিদ্যা অনুয়ায়ী একটি লাল কাপড় যদি মানিব্যাগে রাখতে পারেন, তবে তা শুভ ফল দেয়। জীবনে অর্থাভাব আসতে দেয় না বলে মনে করা হয়।

৩. একটি ডিম্বাকৃতি সাদা পাথর মানিব্যাগ বা পার্সে রাখুন। জীবনে সমৃদ্ধি নিয়ে আসবে এই পাথর। আর্থিক শ্রীবৃদ্ধির পাশাপাশি, সকল চিন্তা দূর হবে এর প্রভাবে।

৪. আর্থিক অস্বচ্ছলতা দূর করতে মানিব্যাগে একটি গোমতি চক্র রাখতে পারেন। জীবনে পজেটিভ তরঙ্গ তৈরি করবে এই চক্র।

৫. মানিব্যাগে রাখুন অল্প চাল। এই কাজ মানতে গিয়ে খেয়াল রাখবেন যাতে মানিব্যাগ ছেঁড়া না হয়। কোনও বৃহস্পতিবার ২১টি চাল একটা কাগজে মুড়ে পার্সে রাখুন । ভাল ফল দেবে।

এছাড়াও কিছু ছোট ছোট প্রচলিত ধারণা থাকে। যেমন সংসারে অর্থ বৃদ্ধির জন্য আমরা লক্ষ্মী দেবীর পুজো করি। হিন্দু শাস্ত্র মতে ধন সম্পদের দেবী হলেন লক্ষ্মী। তাই মানিব্যাগে যদি লক্ষ্মী দেবীর ছবি রাখা হয়, তা হলে অর্থাভাব কেটে গিয়ে উপার্জন বৃদ্ধি পাবে বলে বিশ্বাস।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।