মহামারীর এই সময়ে আর প্রচন্ড গরমে নাজেহাল দেশবাসী। তাই অনেকেই উপায় না দেখতে পেয়ে এসি (air conditioner) চালাচ্ছেন সব দরজা জানলা বন্ধ করেই।

কিন্তু এটাই বিশাল ভুল করছেন তারা। জানা গেছে, এয়ারকন্ডিশনের এয়ার ডাক্টের ভেতরে ঢুকে থাকতে পারেকরোনা ভাইরাস।

এর ফলে এসির (air conditioner) বায়ু চলাচলের সঙ্গে সঙ্গে ভাইরাসটি ছড়িয়ে পড়তে পারে বিভিন্ন ঘরে ও শরীরের মধ্যেও। এসির মধ্য দিয়ে প্রবাহিত বাতাসের সঙ্গেও আপনি সংক্রমিত হতে পারেন।

এসির (air conditioner) ফিল্টারেও করোনাভাইরাস আটকায় না বলেই এমনটা হতে পারে। বলা হয় যে সাধারণত পাঁচ হাজার ন্যানোমিটারের চেয়ে ক্ষুদ্র কণাগুলো আটকায় না এসির মাধ্যমে।

আরো পোস্ট-  যেমন তেমনভাবে নয়, ব্যবহৃত মাস্ক খোলার পদ্ধতি জানা উচিত

তাই সেক্ষেত্রে করোনা ভাইরাস ছড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা রয়েছে। কিন্তু এই গরমে আবার আরাম পাওয়ার আর কি কোনো রাস্তা আছে?

হ্যাঁ, রয়েছে। খুব সহজ কয়েকটি টিপস মেনে চলতে পারলেই আপনি বাড়ি ঠান্ডা রাখতে পারবেন এসি না চালিয়েই।

১. আবছা অন্ধকার ঘর: ঘরে আলো কম হলে ঠাণ্ডাভাব বজায় থাকে। তাই দিনের বেলা ছাড়াও দরকার না পড়লে সব ঘরের লাইট বন্ধ করে রাখুন।

আবার আপনি যে ঘরে রয়েছেন সেই ঘরের লাইট বন্ধ করে অন্য ঘরের লাইট জ্বালিয়ে দিতে পারেন যদি আলোর প্রয়োজন হয় তাহলে। অসুবিধে হলে টেবিল ল্যাম্প (table lamp) জ্বেলে নিতে পারেন।

২. রান্না করার সময় এগজস্ট ফ্যান: রান্না করার সময় আগুনের তাপে ঘর গরম হয়ে যাওয়াটা স্বাভাবিক। তাই এই সময়ে যতক্ষণ রান্না করবেন অবশ্যই এগজস্ট ফ্যান (exhauster fan) চালিয়ে রাখুন।

সম্ভব হলে বেলা বাড়ার আগেই সব রান্না সেরে ফেলুন।

৩. জানলা বন্ধ করে পর্দা টেনে দিন: সকালের মিঠে রোদ বেশিক্ষণ থাকে না। তাই এগারোটা পেরোলেই ঘরের সব জানলা বন্ধ করে পরদা টেনে দেওয়া বুদ্ধিমানের কাজ।

এতে ঘরে তাপ ঢুকবে কম। এরপর পাখা চলিয়ে রাখলেই আপনি আরাম পাবেন।

আবার বিকেলের দিকে জানলা খুলে দিতে পারেন রোদের তাপ কমলেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.