সুরাট: শুক্রবার প্রকাশ্যে এসেছিল মোদীগড়ের লজ্জার কাণ্ড। সেখানে রাজ্য সরকারের একটি হাসপাতালে সুরাট মিউনিসিপ্যাল কর্পারেশনের প্রায় ১০০ মহিলা ট্রেনি কর্মচারীকে মেডিক্যাল চেক-আপের নামে নগ্ন করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে। সেই ঘটনার দুদিন যেতে না যেতেই উঠে প্রকাশ্যে এল চাঞ্চল্যকর দাবি। মহিলা ট্রেনিদের অভিযোগ, তাঁদের নগ্ন করে চাকরি থেকে তাড়ানোর হুমকি দিয়েছিল চিকিৎসক।

গুরুতর এই অভিযোগ সামনে আসতেই নতুন করে চাঞ্চল্য শুরু হয়ে গিয়েছে দেশজুড়ে। ওই তরুণীদের দাবি, নগ্ন করানোর পর একজন গায়নোকোলজিস্ট তাঁদের বলেছিল, “জব করভি হয় তো উভা রেভু পাড়ে” (যদি চাকরি বাঁচাতে চাও, চুপচাপ দাঁড়িয়ে থাকো।)”

ওই মহিলা কর্মচারীরা তাঁদের সিনিয়রকে এই লজ্জাজনক ঘটনার কথা জানালে ব্যাপারটা প্রথম প্রকাশ্যে আসে। কিন্তু, অভিযোগ সিনিয়ররাও তাঁদের কথায় প্রথমে কর্ণপাত করেননি। এমনকি একজন সিনিয়র কর্মচারী সংবাদ মাধ্যমকে বলেন, তিনি ভেবেছিলেন এটা একটি ব্যতিক্রমী বিষয়। কিন্তু এত মহিলাদের সঙ্গে যে এমন ঘটনা ঘটেছে তা তিনি প্রথমে বুঝতে পারেননি।

প্রসঙ্গত, শুক্রবার এ ঘটনা সংবাদমাধ্যমের দ্বারা প্রকাশ্যে আসতেই দেশ জুড়ে রীতিমতো ছিঃ ছিঃ পড়ে গিয়েছিল। ট্রেনি মহিলাদের অভিযোগ ছিল, তাদেরকে একটি ঘরে ঢুকিয়ে মেডিক্যাল টেস্টের নামে পোশাক খুলতে বাধ্য করা হয়। এমনকি ঘরের দরজাও ঠিকমতো বন্ধ ছিল না বলে পুলিশের কাছে দাবি করেন এক সিনিয়র মহিলা কর্মচারী।

পাশাপাশি উঠে এসেছিল আরও এক বিস্ফোরক অভিযোগ। একটি সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের খবর অনুযায়ী, মেডিক্যাল চেক-আপের নামে নানান একান্ত ব্যক্তিগত প্রশ্নও করেন চিকিৎসকেরা। অভিযোগ, অবিবাহিত মহিলাদের প্রেগন্যান্সি নিয়েও প্রশ্ন করেন চিকিৎসকেরা। এমনকি তাঁরা কখনও প্রেগন্যান্ট হয়েছে কিনা এপ্রশ্নও করা হয় বলে অভিযোগ ওঠে।