কলকাতা: তিন দিন পেরিয়ে চার দিনে পড়েছে। এখনও বিদ্যুৎ বিহীন রাজ্যের একটা বড় অংশ। হাওড়া, দুই ২৪ পরগণা, মেদিনীপুর, হুগলি, নদিয়া এমনকি খাস কলকাতারও বহু জায়গায় এখনও নেই ইলেকট্রিসিটি। মানুষ কাযর্যত দিশাহীন।

এই অবস্থায় মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় বললেন, ‘একটু ধৈর্য্য ধরুন।’ শুক্রবার প্রাধনমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর সঙ্গে এলাকা পরিদর্শনের পর শনিবার ফের দক্ষিণ ২৪ পরগণায় যাচ্ছেন মুখ্যমন্ত্রী। আর সেখানে যাওয়ার আগেই এই আবেদন করলেন মমতা।

জেলায় জেলায় বিদ্যুতের দাবিতে চলছে বিক্ষোভ। আমফান বিধ্বস্ত এলাকা দেখতে কাকদ্বীপ যাওয়ার আগে তিনি জানান, করোনা সংক্রমণের ভয়ে অনেকেই বাড়ি চলে গিয়েছেন। কর্মী কম, তাই কাজে সময় লাগছে।

শনিবার দুপুর সাড়ে বারোটা নাগাদ আমফান পরিস্থিতিতে উদ্ভূত সমস্যার মোকাবিলার পথ খুঁজতে কাকদ্বীপে মহকুমাশাসকের দপ্তরে প্রশাসনিক কর্তাদের নিয়ে বৈঠক করবেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। কী সমাধান বেরয়, সেদিকে চোখ সুন্দরবনবাসীর।

এদিন মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ‘ত্রাণ নিয়ে যেন কোনও সমস্যা না হয়। অর্থের অপচয় করা যাবে না। করোনার ধাক্কায় এমনিতেই প্রাণ ওষ্ঠাগত। রাস্তার আগেও গুরুত্ব দিতে হবে ভেঙে পড়া বাড়ি পুনর্গঠনে।’

কলকাতার বহু জায়গা এখনও বিদ্যুৎ‍হীন, জলের জন্য চলছে হাহাকার। শনিবারের মধ্যে বাড়ির সংযোগ ফেরানোর কথা বলেছে সিইএসসি। এমনটাই জানিয়েছেন মেয়র ফিরহাদ হাকিম। চলবে ছোট পাম্পিং স্টেশন।

জল-বিদ্যুৎ ফেরানোর দাবিতে বিক্ষোভ যাদবপুরের সাপুইপাড়ায়। যাদবপুর থানা-ই এম বাইপাস কানেক্টর অবরোধ। গাছের ডাল ফেলে রাত থেকে অবরোধ করে চলছে বিক্ষোভ। পুলিশ বিক্ষোভ তুলতে গেলে শুরু হয় বচসা।

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ