নয়াদিল্লি: আর্থিক তছরুপের মামলায় ধৃত তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কেডি সিংহের ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দিল্লির আদালতের। আর্থিক অনিয়মের অভিযোগে কেডি সিংকে গ্রেফতার করেছিল কেন্দ্রীয় সংস্থা ইডি। কোটি-কোটি টাকা আর্থিক তছরুপের অভিযোগ তৃণমূলের এই প্রাক্তন সাংসদের বিরুদ্ধে।

বেআইনি আর্থিক লেনদেনের মামলায় গ্রেফতার করা হয় কেডি সিংহকে। চলতি মাসের দ্বিতীয় সপ্তাহে অ্যালকেমিস্ট কর্তা তথা তৃণমূলের প্রাক্তন রাজ্যসভার সাংসদ কেডি সিংহকে প্রথমে সদর দফতরে ডেকে পাঠিয়েছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)।

অভিযোগ, তদন্তে সহযোগিতা না করায় তাকে গ্রেফতার করা হয়। ইডি-র দাবি, অ্যালকেমিস্টের নামে কোটি-কোটি টাকা বাজার থেকে তুলে বিদেশে পাচার করে দেওয়া হয়। সেই মামলায় জিজ্ঞাসাবাদের জন্য ইডি-র সদর দফতরে ডাকা হয়েছিল তৃণমূলের প্রাক্তন সাংসদ কে ডি সিংহকে৷

এরই পাশাপাশি ইডি-র আরও দাবি, কেডি সিংহের দিল্লির বাড়ি থেকে ১০ হাজার ডলার এবং হিসেব বহির্ভূত ৩২ লক্ষ টাকা বাজেয়াপ্ত করা হয়েছে৷ তার আগে ২০১৯ সালে প্রায় ২৩৮ কোটি টাকার সম্পত্তি বাজেয়াপ্ত করে ইডি।

সেইসঙ্গে এই সংস্থার বেশ কিছু গুরুত্বপূর্ণ নথিপত্রও বাজেয়াপ্ত করেছিল এনফোর্সমেন্ট ডিরেক্টরেট (ইডি)। কয়েক বছর আগে তৎকালীন রাজ্যসভার সাংসদ কেডি সিং-এর বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেছিল লালবাজার।

ওই সাংসদের টাকাতেই নারদ স্টিং অপারেশন চালানো হয়েছিল বলে সিবিআইয়ের কাছে দাবি করেছিলেন নারদ কর্তা ম্যাথু স্যামুয়েল। আর্থিক তছরুপের মামলায় ধৃত কেডি সিংকে আজ দিল্লির আদালতে তোলা হলে তাকে ৯ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত জেল হেফাজতের নির্দেশ দেয় ইডি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।