কৌশিক গাঙ্গুলির নতুন ছবি মনোহর পাণ্ডে
কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের নতুন ছবি মনোহর পাণ্ডে।

মুম্বই: বাংলা ছবির দর্শককে তিনি বহুদিন থেকেই মুগ্ধ করছেন। এবার বলিউডে পাড়ি জমাতে চলেছেন পরিচালক কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। বুধবার শুরু হয়েছে তাঁর প্রথম হিন্দি ছবির কাজ।

ছবির নাম ‘মনোহর পাণ্ডে’। ছবিটি প্রযোজনা করছে সুরিন্দর ফিল্মস। ছবিতে মুখ্য ভূমিকায় অভিনয় করছেন সৌরভ শুক্লা, রঘুবীর যাদব এবং সুপ্রিয়া পাঠক কাপুর।

এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে ছবিটি বাস্তব ঘটনা থেকে অনুপ্রাণিত। ছবির চিত্রনাট্য লিখেছেন কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়। করোনা পরিস্থিতির মধ্যে দিয়া যাচ্ছে গোটা দেশ। এখন পরিস্থিতি একটু স্বাভাবিক হলেও গত বছর করোনা প্রাদুর্ভাবের গোড়ার দিকে পরিস্থিতি ছিল অত্যন্ত জটিল। করোনার ফলে পালটে যায় মধ্যবিত্ত ও নিম্নবিত্ত মানুষের জীবনধারা। চাকরি খোয়াতে হয় বহু মানুষকে। অনেক পরিযায়ী শ্রমিক বাড়ি ফেরার পথে প্রাণ হারান। করোনা কালের সেই সব মর্মান্তিক কাহিনি ফুটিয়ে তোলা হবে ‘মনোহর পাণ্ডে’ ছবিতে। ছবির প্রধান চরিত্র মনোহর পাণ্ডে। প্রধান মহিলা চরিত্রের নাম সঙ্গীতা পাণ্ডে। ছবিতে যেমন বাস্তবতার গল্প তুলে ধরা হবে, তেমনই তার পাশাপাশি সমান্তরালভাবে চলবে ভালবাসার গল্প।

পরিচালক জানিয়েছেন, করোনা পরিস্থিতির মধ্যে অনেক কিছু দেখেছেন তিনি। অভিজ্ঞতার ঝুলি তাঁর বিভিন্ন ঘটনায় ভর্তি। সেই সব গল্পই তিনি তুলে ধরেছেন তাঁর ছবিতে। সাধারণ মানুষের জীবন করোনা কালে যেভাবে পালটে গিয়েছে তারই প্রতিফলন থাকবে ‘মনোহর পাণ্ডে’ ছবিতে। ছবিতে অন্যতম প্রধান চরিত্রে অভিনয় করেছেন সৌরভ শুক্লা। তিনি জানিয়েছেন, নভেম্বর মাসে ‘মনোহর পাণ্ডে’ ছবিতে অভিনয়ের প্রস্তাব পান তিনি। কৌশিক গঙ্গোপাধ্যায়ের কাছে তিনি গল্প শুনে অভিভূত হয়ে পড়েছিলেন। তাই প্রস্তাব ফেরানোর কথাই ওঠেনি। তৎক্ষণাৎ রাজি হয়ে যান তিনি। অন্যদিকে কলকাতায় শুটিং করতে উন্মুখ হয়ে রয়েছেন অভিনেত্রী সুপ্রিয়া পাঠক।

এখনও পর্যন্ত জানা গিয়েছে ‘মনোহর পাণ্ডে’ ছবির কিছুটা অংশের শুটিং হবে উত্তরবঙ্গে। এই ছবির সঙ্গীত পরিচালকও একজন বাঙালি। তিনি জিৎ গঙ্গোপাধ্যায়। তবে বাংলার কোনও অভিনেতাকে ছবিতে দেখা যাবে কিনা, তা এখনও জানা যায়নি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।