স্টাফ রিপোর্টার, কাটোয়া: তৃণমূলের ফল খারাপ হয়েছে লোকসভায়৷ বর্ধমান পূর্ব কেন্দ্রে পরাজিত জোড়াফুলের মমতাজ সংঙ্ঘমিতা৷ কাটোয়া পুরসভা এলাকায় তৃণমূল লিড পায়নি৷ এই হারের দায় নিয়ে পুরসভায় চেয়ারপার্সন রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের পদত্যাগ দাবি করলেন ওই পুরসভার তৃণমূলেরই তিন কাউন্সিলর৷

মঙ্গলবার বসে কাটোয়া পুরসভার বোর্ড মিটিং৷ সেই সময়ই চেয়ারম্যানকে ঘিরে বিক্ষোভ শুরু করেন তৃণমূলের তিন কাউন্সিলর অমর রাম, শ্যামল ঠাকুর ও প্রণব দত্ত৷ চেয়ারম্যান রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়কে দুর্নীতিগ্রস্থ বলে দাবি করেন তারা৷

আরও পড়ুন: বেতন কমিশন: অভিরূপ সরকারকে ঘেরাও করবে বিজেপি

মিটিংয়ের মধ্যেই চিৎকার করেন রবীন্দ্রাথবাবুর বিরুদ্ধে৷ অভিযোগ, এর মাঝেই চেয়ারম্যানকে লক্ষ্য করে বিভিন্ন জিনিস ছুঁড়তে থাকেন ওই তিন কাউন্সিলর৷ তাঁকে প্রাণে মারার উদ্দেশ্য ছিল বলে দাবি চেয়ারম্যানের৷

বিক্ষুব্ধ তৃণমূল কাউন্সিলরদের কাটোয়া পুরসভার চেয়ারম্যান কাজ করেন না৷ তাই গোটা পুরসবাতেই এই হার৷ এর আগেও আমরা রবীবাবুর কাজ নিয়ে সরব হয়েছিলাম৷ কিন্তু দল শোনেনি৷ শুনলে কাটোয়ায় বিজেপি লিড পেত না৷ এই হারের পর এক মুহূর্ত রবীন্দ্রনাথ চট্টোপাধ্যায়ের চেয়ারম্যান পদে থাকা উচিত নয়৷

আরও পড়ুন: উচ্চমাধ্যমিকে প্রথম স্থানাধিকারী ছাত্রের বাবার নাম ‘ভুলিয়ে’ ছাড়ল আরএসএস

পালটা কাটোর চেয়ারম্যানের দাবি, ওই তিন কাউন্সিলর বিগত মিটিংগুলোতে আসেননি৷ এদিন এসে ঝামেলা করছে৷ ওরা হয়তো অন্য দলে যেতে পারে তাই এই ধরণের কাজ করছেন৷ ওদের আক্রমণে তৃণমূলের দুই কাউন্সিলর জখম হয়েছে৷

গেরুয়া দলের ভালো ফলে ভাঙছে তৃণমূল৷ বহু জায়গায় আবার, বর্তমান নেতৃত্বের উপর ক্ষোভ রয়েছে নিচু তলার তৃণমূল কাউন্সিলর, নেতা, কর্মীদের৷ স্পষ্ট গোষ্ঠীকোন্দল৷ এদিনের ঘটনা তারই বহিঃপ্রকাশ বলে মনে করা হচ্ছে৷