ওয়াশিংটন: রাজ পরিবারের ছোট ছেলের বিয়ে হয়েছে গত বছর। মার্কিন অভিনেত্রীকে বিয়ে করেছেন হ্যারি। এরপর বিভিন্ন অনুষ্ঠানে দুই ভাই ও তাঁদের স্ত্রী’দের ছবিও প্রলাশ্যে এসেছে। আপাতদৃষ্টিতে দেখে মনে হয়েছে একে অপরকে নিয়ে সুখেই আছে রাজ পরিবার। কিন্তু গত কয়েক মাসে নাকি বেড়ে দূরত্ব। রাজ পরিবারের দুই বউ-এর সম্পর্কে চিড় বেশ প্রকট। এবারের ক্রিসমাসে সেই তরজা নাক আরও খানিকটা চরমে উঠেছে।

বড় বউ কেট নাকি মেগানকে বলেছেন যে তাঁকে ব্যবহার করেই রাজপরিবারে জায়গা করে নিয়েছেন মেগান। আর কেট যে তাঁকে বেশ জোর গলায় সেকথা বলেছেন, তাও একরকম স্বীকার করে নিয়েছেন মেগান।

হ্যারির বিয়ের কয়েক মাস বাদেই রাজ পরিবারের তরফ থেকে ঘোষণা করা হয় রাজপ্রসাদ ছেড়ে অন্য জায়গায় সংসার পাতবেন হ্যারি ও মেগান। তখন থেকেই রাজপ্রসাদে ফিসফিসানি শুরু হয়। হঠাৎ কী কারণে ছোট ছেলেকে প্রাসাদ ছাড়তে হচ্ছে, তা নিয়ে তৈরি হয় জল্পনা।

শোনা যায়, অশ্লীল ছবিতে কাজ করা মেগানকে রাজপরিবারেরস বহু সদস্যই মেনে নিতে রাজি ছিলেন না। সেইসময় কেটই হ্যারি ও মেগানের চারহাত এক করতে অনকে চেষ্টা করেছিলেন। কিন্তু মেগানের আচার-আচরণে কেট এখন ক্ষুব্ধ। তিনি মনে করছেন কাজ ফুরিয়ে যেতে মেগান আর সম্মান দিচ্ছেন না।

এক মার্কিন পত্রিকায় কেট ও মেগানের মধ্যে কাজিয়ার বিষয়টি ফাঁস হয়ে গিয়েছে। মেগান এই মুহূর্তে অন্তঃস্বত্তা। কেনিংগসটন রাজপ্রসাদ থেকে জানানো হয়েছে মেগান তাঁর সন্তানের জন্ম ফ্রোগমোর কটেজেই দেবেন।

আরও জানা গিয়েছে, সব বিষয়ে বেশি খবরদারি শুরু করেছিলেন মেগান। যেটা কেটের বিসেষ পছন্দ ছিল না। কেট ও উইলিয়ামের টিমের লোকজনকে ভোর পাঁচটা থেকে মেল করে এবং ফোন করে ব্যতিব্যস্ত করে তুলেছিলেন মেগান। একদিন নাকি কেট নাকি সরাসরি বলেই দিয়েছিলেন যে, তিনি ছাড়া তাঁর কর্মীদের সঙ্গে অন্য কেউ কথা বলুক এটা তিনি চান না।

খবর পৌঁছেছে রাণি এলিজাবেথের কানেও। তিনি সরাসরি কথা না বললেও, সমস্যা মিটিয়ে নিতে বলেছেন দু’জনকেই।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.