নয়াদিল্লি: ইতিহাসে জায়গা করে নিল অন্ধ্রপ্রদেশের কাদাপা জেলার কেএসআরএম কলেজ গ্রাউন্ড। পরিসর ছোট হলেও কিংবদন্তি অনিল কুম্বলের কীর্তি ছুঁয়ে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নিলেন দেশের মহিলা ক্রিকেটার কাশভি গৌতম। মঙ্গলবার মহিলাদের অনুর্ধ্ব-১৯ ওয়ান-ডে ট্রফিতে অরুণাচল প্রদেশের মুখোমুখি হয়েছিল চন্ডীগড়। সেই ম্যাচে বিপক্ষের ১০ উইকেট একাই তুলে নিলেন চন্ডীগড় অধিনায়কা কাশভি গৌতম।

অনিল কুম্বলের বিরল নজির স্পর্শ করার দিনে ব্যাট হাতেও সমান উজ্জ্বল চন্ডীগড় অধিনায়িকা। বল হাতে ১০ উইকেট নেওয়ার আগে এদিন ব্যাট হাতে ৬৮ বলে ৪৯ রানের মূল্যবান ইনিংস খেলেন কাশভি। আর ব্যাটে-বলে তাঁর অধিনায়কোচিত পারফরম্যান্সের সুবাদে অরুণাচল প্রদেশকে ১৬১ রানে হারাল চন্ডীগড়। নির্ধারিত ৫০ ওভারে চন্ডীগড়ের ছুঁড়ে দেওয়া ১৮৭ রানের লক্ষ্যমাত্রার জবাবে মাত্র ২৫ রানেই শেষ অরুণাচলের ইনিংস।

১০ উইকেট তুলে নিতে এদিন মাত্র ২৯ বল খরচ করেন কাশভি। যার মধ্যে ৬টি ডট বল। অর্থাৎ, বাকি ২৩ বলে বিপক্ষের ১০টি উইকেট তুলে নেন চন্ডীগড় অধিনায়িকা। সেইসঙ্গে ১৯৯৯ ফিরোজ শাহ কোটলায় অনিল কুম্বলের এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার বিরল কীর্তি স্পর্শ করেন কাশভি। তবে শুধু এই ম্যাচেই নয়। চলতি টুর্নামেন্টের শুরু থেকেই বল হাতে বিস্ফোরক কাশভি।

টুর্নামেন্টের প্রথম ম্যাচে বিহারের বিরুদ্ধে নির্ধারিত ১০ ওভারে মাত্র ৬ রান খরচ করে ১ উইকেট নিয়েছিলেন চন্ডীগড় অধিনায়িকা। জম্মু-কাশ্মীরের বিরুদ্ধে পরের ম্যাচে তুলে নিয়েছিলেন বিপক্ষের ৭ উইকেট। এরপর তৃতীয় ম্যাচে একাই নিলেন ১০ উইকেট। টুর্নামেন্টে ৩ ম্যাচে কাশভির নামের পাশে এই মুহূর্তে ১৮ উইকেট। যদিও ক্রিকেটের সংক্ষিপ্ত ফর্ম্যাটে ইনিংসে প্রথমবার ১০ উইকেট নিয়ে গিনেস বুক অফ ওয়ার্ল্ড রেকর্ডে নাম তুলেছিলেন নেপালের বাঁ-হাতি পেসার মাহবুব আলম।

আন্তর্জাতিক স্তরে কুম্বলের পর ঘরোয়া ফর্ম্যাটে এক ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার নজির গড়েছিলেন ওডিশা পেসার দেবাশিস মোহান্তি। ২০০১ সালে দক্ষিণাঞ্চলের বিরুদ্ধে পূর্বাঞ্চলের হয়ে ইনিংসে ১০ উইকেট নেওয়ার কীর্তি গড়েছিলেন তিনি।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।