নয়াদিল্লি: ইন্টারনেট ব্যবহার মানুষের মৌলিক অধিকার। ইন্টারনেট বন্ধের উপর হস্তক্ষেপ করা মানে মানুষের বাক স্বাধীনতাতে হস্তক্ষেপ করা, এমনটাই জানিয়েছিল সুপ্রিম কোর্ট। যার জেরে বিগত কয়েক মাস পরে ধীরে ধীরে উপত্যকাতে চালু হয়েছে ইন্টারনেট। এই অবস্থাতে ফের বিতর্কিত মন্তব্য করলেন নীতি আয়োগ সদস্য ভি কে সারস্বত।

সাংবাদিকদের সামনে তিনি জানিয়েছেন, জম্মু কাশ্মীরের বেশ কিছু লোক ইন্টারনেট খারাপ উদ্দেশে ব্যবহার করে সেখানকার পরিস্থিতি জটিল করে তোলে। সেখানকার বেশ কিছু মানুষ চায় দিল্লির মত বিক্ষোভ কাশ্মীরেও হোক।

এর আগে সারস্বত জানিয়েছিলেন জম্মু ও কাশ্মীরে আইন শৃঙ্খলা ঠিক রাখার জন্যই এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। কিন্তু এবারে তার এই বিপরীতধর্মী মন্তব্যর জেরে রীতিমত তীব্র ভাষাতে শুরু হয়েছে সমালোচনা।

গত বছরের ৫ অগষ্ট ৩৭০ ধারা বাতিল করা হয়েছিল। পাশাপাশি ওই দিন থেকে বন্ধ করে দেওয়া হয়েছিল ইন্টারনেট পরিষেবা। যার জেরে ব্যহত হয়েছিল একাধিক পরিষেবা। কিন্তু তা মানতে চাননি তিনি। জানান ইন্টারনেটে শুধু খারাপ ছবি দেখে তারা। শুধু তাই নয় আরও জানান কাশ্মীরে ইন্টারনেট পরিষেবা বন্ধ রাখার কারণে কোনরকম আর্থিক ক্ষতি হয়নি।

সারস্বতের মন্তব্য সামনে আসাতে বিরোধীরা তীব্র ভাষাতে শুরু করে সমালোচনা। যার ফলে তিনি জানান, তার মন্তব্যর ভুল ব্যাখ্যা করা হয়েছে। কাশ্মীরের অধিকারের বিরুদ্ধে তিনি নন।

আগেই সুপ্রিম কোর্ট কেন্দ্রের এই নীতির তীব্র বিরোধিতা করেছিল। তারপরেই ক্রমে জম্মু ও কাশ্মীরে ফোন এবং ইন্টারনেট পরিষেবা স্বাভাবিক করার পথে হাঁটছে কেন্দ্রীয় সরকার। ইতিমধ্যে ভয়েস কল ও মেসেজ পরিষেবা চালু করা হয়েছে সেখানে।