নয়াদিল্লি: দাঁড়িয়ে থেকে অপারেশন চালিয়ে হিজবুল কম্যান্ডার বুরহান ওয়ানিকে খতম করেছিলেন। ২০২০ সালে রাষ্ট্রপতির গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন ২০০৮ সালের ব্যাচের আইপিএস আবদুল জাব্বার।

অনন্তনাগের তৎকালীন এসএসপি আব্দুল জাব্বারের নেতৃত্বে একটি দল হিজবুল মুজাহিসিনের ‘পোস্টার বয়’কে ২০১৬ সালের ৮ জুলাই খতম করতে সক্ষম হয়েছিল।

কাশ্মীর উপত্যকা রীতিমত শেষ সাত মাস ধরেই উত্তপ্ত ছিল। ডিআইজি নিতিশ কুমার এবং এসপি আব্দুল জাব্বারের অক্লান্ত পরিশ্রমে উপত্যকায় ফের শান্তি ফিরেছে বলাই যায়।

বিহারের ঔরঙ্গাবাদের হাজিপুরের বাসিন্দা আব্দুল জাব্বার। ২০১৬ সালে এনকাউন্টার হলেও তাঁকে দেরিতে এই সম্মান প্রদান করা হচ্ছে। বর্তমানে তিনি গোয়েন্দা ব্যুরোতে গুরুত্বপূর্ণ পদে রয়েছেন। সাধারণত, সদ্য শেষ হওয়া বছরের কাজের ভিত্তিতেই রাষ্ট্রপতি গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড দেওয়া হয় তবে এক্ষেত্রে তাঁর ব্যাতিক্রম ঘটনা হতে চলেছে।

রাষ্ট্রপতির গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড সাহসীকতায় সর্বোচ্চ সম্মান যা পুলিশ অভিযানে সাহসীকতার পরিচয়ের ভিত্তিতে দেওয়া হয়। ২০২০ সালে মোট চারজন পুলিশ রাষ্ট্রপতির গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড পাচ্ছেন।

বিভিন্ন ক্যাটাগরির প্রায় ১০৪০ জন পুলিশ অফিসারকে রাষ্ট্রপতির গ্যালান্ট্রি অ্যাওয়ার্ড সম্মান প্রদান করা হবে বলেও জানা গিয়েছে।

৮ জুলাই, ২০১৬। এক ধাক্কায় কাশ্মীরের আপাত শান্তির ছবিটা বদলে গিয়েছিল। উপত্যকার মোস্ট ওয়ান্টেড হিজবুল কম্যান্ডার বুরহানকে কোকেরনাগের বিমদুরা এলাকায় তার দুই সঙ্গীর সঙ্গেই খতম করেছিল ভারতীয় সেনাবাহিনী। উপত্যকায় সন্ত্রাস ছড়ানো থেকে শুরু করে বহু অভিযোগ ছিল তার বিরুদ্ধে। বাইশ বছরের এই জঙ্গি নেতার মাথার দাম ছিল দশ লক্ষ টাকা।