ইসলামাবাদ: কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপ, দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে ভাগ করার সিদ্ধান্তের পর বারবারই উঠে এসেছে মিশ্র প্রতিক্রিয়া। কেন্দ্রের এই সিদ্ধান্তের পর সামগ্রিকভাবে আনন্দ আছে, তেমনি বিভিন্ন দিক থেকে উঠে আসছে এর অন্যান্য দিক। ইতিহাস, লড়াই ও স্বতন্ত্র থাকার সম্মান ও রাজনৈতিক টানাপোড়েন সব মিলিয়ে প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষ মিশ্র প্রতিক্রিয়া এসেছে বেশ কিছু প্রান্ত থেকেই। যা জন্ম দিয়েছে বিতর্কের। মতভেদে তৈরি হয়েছে দলভেদ। এই প্রেক্ষাপটেই এক পাকিস্তানি ডিফেন্স এক্সপার্ট বলেন, ভারতে পাকিস্তানের অনেক সমব্যাথী আছে।

পাকিস্তানি সংবাদমাধ্যম জিও টিভিতে একটি বিতর্কসভায় যোগদান কর মুশাহিদ হুসেন জানান, ভারতে অনেক বিরোধীতার মাঝেও পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, লেখিকা অরুন্ধুতি রায়, বর্ষীয়ান রাজনৈতিক দল কংগ্রেস পাকিস্তানের ‘সমব্যাথী’। মুশাহিদ হুসেন পেশায় একজন সাংবাদিক, রাজনীতিক ও ভূ-বিদ।

কাশ্মীর নিয়ে ভারতের সিদ্ধান্তের পর এবার অপেক্ষা কার্যকর হওয়ার। এই পরিস্থিতিতে কাশ্মীরের অবস্থার উন্নতি কীভাবে হবে তা জানতে চাওয়া হলে মুশাহিদ হুসেন জানান, “ভারত অনেক বড় একটি দেশ আর সেই দেশে সবাই প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীকে সমর্থন করেন না।”

তিনি তাঁর বক্তব্যে আরও জানান, “কাশ্মিরের বিষয়টিকে অনেক গুরুত্ব দিয়ে ও শক্তহাতে নিয়ে এগিয়ে যেতে হবে। এটা একটা লম্বা যুদ্ধ। ভারত অনেক বড় দেশ। অনেক মানুষই আছে যারা পাকিস্তানের জন্য সমব্যথী। পশ্চিমবঙ্গের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়, লেখিকা অরুন্ধুতি রায়, বর্ষীয়ান রাজনৈতিক দল কংগ্রেস ও কমিউনিষ্ট পার্টী, দলিত পার্টী। গোটা ভারতবর্ষ মোটেও মোদীর সঙ্গে নেই।”

ইতিমধ্যেই কাশ্মীরে ৩৭০ ধারা বিলোপের পর পাকিস্তান জানিয়েছে, অগাষ্টের ১৪ তারিখ ‘কাশ্মীর সলিডারিটি ডে’ পালন করা হবে পাশাপাশি ১৫ই অগাষ্ট ‘ব্ল্যাক ডে’ পালন করা হবে। এর ফলে কাশ্মীরের ‘স্পেশাল স্ট্যাটাস’ উঠে যায় ও দুটি কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে বিভক্ত হয়ে যায়।