লখনউ: প্রজাতন্ত্র দিবসের দিন শুরু হওয়া গোষ্ঠী সংঘর্ষের জেরে উত্তরপ্রদেশের কাসগঞ্জ এখনো থমথমে৷ নতুন করে সংঘর্ষ ছড়ায়নি৷ বিভিন্ন সংবাদ মাধ্যমের দাবি, পরিস্থিতি যে রকম তাতে যে কোনও মুহূর্তে ভাঙচুর শুরু হতে পারে৷ একাধিক জাতীয়স্তরের সংবাদ মাধ্যের রিপোর্টে পুলিশের ভূমিকায় প্রশ্ন উঠেছে৷ বিতর্কে জড়িয়েছেন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ৷

২৬ জানুয়ারি কাসগঞ্জে তিরঙ্গা মিছিল বের করেছিল সংঘ পরিবারের ছাত্র সংগঠন এভিবিপি৷ অভিযোগ,সেই মিছিল স্থানীয় সংখ্যালঘু এলাকায় গিয়ে উত্তেজক স্লোগান দেয়৷ তার জেরেই শুরু হয় সংঘর্ষ৷ দু পক্ষ একে অপরের দিকে তেড়ে যায়৷ সেই সময় গুলি লেগে চন্দন গুপ্তা নামে এক যুবকের মৃত্যু হয়৷

নিহত যুবকের পরিবারের দাবি, চন্দনকে শহিদের মর্যাদা দিতে হবে৷ তাকে দিয়ে জোর করে ‘পাকিস্তান জিন্দাবাদ’ বলানোর চেষ্টা করানো হয়েছিল৷ সে বলতে চায়নি৷ তারপরেই চন্দনকে গুলি করা হয়৷ এখন তার নামে কাসগঞ্জে শহিদ চক বানাতে হবে প্রশাসনকে৷ এই দাবির আদৌ কোনও সত্যতা আছে কিনা তা নিয়ে শুরু হয়েছে বিতর্ক৷ কারণ রিপোর্ট এসেছে, সংঘর্ষের মাঝেই গুলি লেগে মারা গিয়েছে চন্দন৷

পুলিশের একাধিক উচ্চপদস্থ কর্তারা সরেজমিনে সবকিছু খতিয়ে দেখছেন৷ গোষ্ঠী সংঘর্ষের ৪৮ ঘণ্টা পরেও স্তব্ধ কাসগঞ্জের জনজীবন৷ ড্রোন ক্যামেরা দিয়ে এলাকায় বিশেষ নজরদারি চালানো হচ্ছে৷ আলিগড়, আগ্রা, লখনউ থেকে আসা রক্ষীবাহিনী টহল দিচ্ছে পুরো এলাকা৷

স্থানীয় সংবাদ মাধ্যমের রিপোর্ট, চন্দনের দেহ সৎকার করে ফেরার পথে একদল উত্তেজিত উগ্র যুবক ফের হামলা চালায়৷ কয়েকটি দোকানে আগুন ধরিয়ে দেওয়া হয়৷ জ্বালিয়ে দেওয়া হয় বাস৷ নতুন করে গোষ্ঠী সংঘর্ষ ছড়িয়ে পড়ে৷ উদ্বিগ্ন মুখ্যমন্ত্রী যোগী আদিত্যনাথ দ্রুত সবদিক সামাল দেওয়ার নির্দেশ দেন৷ শুরু হয় ব়্যাফ টহলদারি৷