স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মহালয়ার আগের দিন থেকেই মন্ডপ ও প্রতিমাদর্শন শুরু হয়ে গিয়েছে শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাবে। প্রতিদিন বহু মানুষ ভিড় জমাচ্ছেন এই পুজো দেখতে। পাশাপাশি একাধিক কারণে সোশ্যাল মিডিয়াতে বিতর্কও তৈরি করেছে এই পুজোটি। দেবীপক্ষ শুরুর আগে পিতৃপক্ষে পুজো উদ্বোধন কিংবা গণেশ কার্তিকের বাহনে হাতি ঘোড়ার ব্যবহার করে বিতর্ক তৈরি করেছে কলকাতার অন্যতম বড় পুজোটি।

এবছর বলিউডের আর একটি হিট সিনেমা “পদ্মাবত”কেই নিজেদের মন্ডপসজ্জার থিমে নিয়ে এসেছে লেকটাউনের শ্রীভূমি স্পোর্টিং ক্লাব। সিনেমাটিতে “ঘুমর” গানে দেখানো প্রাসাদের আদলে তৈরি হয়েছে মন্ডপ। এসব অবধি ঠিক আছে, কিন্তু হঠাৎ করে কার্তিককে ঘোড়ায় চাপাতে গেলেন কেন পুজোকর্তারা? কেনই বা গণেশকে দেওয়া হল হাতি? এই প্রশ্নই উঠছে সোশ্যাল মিডিয়াতে।

এ বিষয়ে শ্রীভূমি ক্লাব কর্তৃপক্ষকে জিজ্ঞাসা করা হলে তারা বলেন, “দেখুন আমাদের এবারের থিম রানী পদ্মাবতীর জীবনের উপর নির্মিত সিনেমা ‘পদ্মাবত’। যেখানে দেবী নারীর উপর হওয়া অত্যাচারের বিরুদ্ধে যুদ্ধে যাওয়ার জন্য প্রস্তুত। দেবসেনাপতি কার্তিকও ঘোড়সওয়ার হয়ে যুদ্ধের জন্য প্রস্তুত। থিমের সঙ্গে মানানসই হিসেবেই কার্তিক ঘোড়ায় চড়ে রয়েছেন।” যদিও শ্রীভূমির পুজোর কর্ণধার, তৃনণমূল নেতা সুজিত বসুর সঙ্গে কলকাতা২৪x৭-এর তরফে বারবার যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলেও তা সম্ভব হয়নি।

সোশ্যাল মিডিয়াতে কার্তিকের ঘোড়ায় চাপা নিয়ে বিতর্ক তৈরি হলেও বিষয়টি একেবারেই ভিত্তিহীন বলে মনে করছেন অনেকে। কারণ থিমের জন্য প্রতিমাকে অনেক সময় অনেকরকম রূপ দেওয়া হয়। তবে বাহন থাকে শাস্ত্র মতেই। শ্রীভূমিতেও যা রয়েছে। ঘোড়ায় থাকা কার্তিকের ঠিক নীচেই রয়েছে বাহুন ময়ুর। গণেশের বাহন ইঁদুরও রয়েছে গণেশের ঠিক পায়ের কাছে। শুধু সেটাই নয় মন্ডপ দেখা শুরু হয়ে গেলেও পুজো কিন্তু হবে তার নিয়ম মেনেই।এমনটাই জানিয়েছেন ক্লাবের পুজো উদ্যোক্তারা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।