মুম্বই: সইফ আলি খান ও ডিম্পল কাপাডিয়া অভিনীত ওয়েব সিরিজ ‘তাণ্ডব’ নিয়ে হইচই শুরু হয়েছে নেটদুনিয়ায়। নির্মাতারা তাদের ওয়েব-সিরিজে পরিবর্তন আনার পরেও থামেনি আলোচনা সমালোচনা। এর মধ্যে বিস্ফোরক উক্তি করল কর্ণি সেনা। তারা জানিয়েছে শুধু ক্ষমা চাইলেই হবে না। তাদের কথায়, এই শোয়ের সঙ্গে যুক্ত যারা হিন্দু ধর্মকে ‘অপমান’ করেছেন তাঁদের আরও কঠিনতম ‘শাস্তি’ দেওয়া প্রয়োজন।

মহারাষ্ট্রের কর্ণি সেনা প্রধান অজয় সেঙ্গার ‘তাণ্ডব’-এর দৃশ্যের বিষয়ে আপত্তি জানিয়ে বলেছেন যে, যদি কেউ হিন্দু দেবতাদের অবজ্ঞা করার জন্য কারোর জিভ কেটে ফেলে তবে তাকে কর্ণি সেনার পক্ষ থেকে এক কোটি টাকা পুরষ্কার দেওয়া হবে। সেঙ্গার আরও বলেন, নির্মাতাদের আচরণ মোটেই মেনে নেওয়া হবে না। “যে ওয়েব সিরিজে হিন্দু দেবদেবীদের অবমাননাকারীদের জিভ ছিঁড়ে নেবে তাকে আমরা এক কোটি টাকার পুরস্কার দেব।” ঘোষণা করেন তিনি।

প্রসঙ্গত, ‘তাণ্ডব’ ওয়েব সিরিজের একাধিক দৃশ্য নিয়ে অনেকদিন ধরেই চলছে চাপানউতোর। এই নতুন আপত্তির কথা সিরিজের নির্মাতা, স্টারকাস্ট এবং অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওর বিরুদ্ধে। এটি ‘তাণ্ডব’ নিয়ে লখনউয়ে দায়ের হওয়া এফআইআরের কয়েকদিন পরে সামনে আসে। এক পুলিশ দল ব্যক্তিগতভাবে এই সংক্রান্ত নোটিস দিতে মুম্বাইয়ে আলি আব্বাস জাফরের বাড়ি যায়। এফআইআরটি লখনউয়ের হজরতগঞ্জ থানায় দায়ের করা হয়েছিল।

অ্যামাজন প্রাইম ভিডিওতে স্ট্রিমিং শুরু হয়েছিল ‘তাণ্ডব’-এর। এটি একটি পলিটিক্যাল ড্রামা। শীর্ষস্থানীয় রাজনীতিবিদের চরিত্রে অভিনয় করেছেন সইফ আলি খান। তাঁর প্রতিদ্বন্দ্বী রাজনীতিকের ভূমিকায় দেখা গিয়েছে ডিম্পল কাপাডিয়াকে। এছাড়া অভিনয় করেছেন মহম্মদ জিশান আইয়ুব, কৃতিকা কামরা, সুনীল গ্রোভার সহ অনেকে। এখানে রাজনীতির চাপানউতোরের গল্পের পাশাপাশি কলেজ ছাত্রদের রাজনীতিতে নামার গল্পও দেখানো হয়েছে। সিরিজে সুনীল গ্রোভার একটি গুরুত্বপূর্ণ চরিত্রে অভিনয় করেছেন।

অভিযোগ উঠেছে, একটি অংশে নির্মাতারা এবং অভিনেতারা কয়েকটি দৃশ্যে ‘ধর্মীয় অনুভূতিতে আঘাত করেছেন’। মঙ্গলবার একটি সরকারি বিবৃতিতে আলি অনিচ্ছাকৃতভাবে এই গোলমাল সৃষ্টি করার জন্য ক্ষমা চেয়েছেন। তিনি উল্লেখ করেন যে নির্মাতারা ‘ইচ্ছাকৃতভাবে অনুভূতিতে আঘাত দেননি’। বলেন, “আমাদের দেশের মানুষের অনুভূতির প্রতি আমাদের সর্বোচ্চ শ্রদ্ধা রয়েছে।” তিনি বিবৃতিতে লিখেছেন, “আমরা কোনও ব্যক্তি, বর্ণ, সম্প্রদায়, বর্ণ, ধর্ম বা ধর্মীয় বিশ্বাস বা কোন প্রতিষ্ঠান, রাজনৈতিক দল বা ব্যক্তি, জীবিত বা মৃত ব্যক্তির অনুভূতি বা আঘাত হানতে চাইনি।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।