coronavirus_death

বেঙ্গালুরু : এই প্রথম কর্ণাটকের কোনও মন্ত্রী করোনা আক্রান্ত হলেন। কর্ণাটকের পর্যটন মন্ত্রী সি টি রবি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন বলে খবর। শনিবার প্রথম করোনা পরীক্ষা হয় মন্ত্রীর। ফলাফল পজেটিভ আসে। তবে দ্বিতীয় বারের জন্য রবিবার তিনি ফের করোনা পরীক্ষা করান। তারপরেও রেজাল্ট পজেটিভ আসলে ট্যুইট করেন তিনি।

সি টি রবি বলেন তিনি করোনা আক্রান্ত হয়েছেন। সোমবার সকালে এক ট্যুইট বার্তায় পর্যটন মন্ত্রী জানান,তিনি, তাঁর স্ত্রী পল্লবী ও অফিসের কর্মচারিরা প্রত্যেকেই করোনা পরীক্ষা করান। তবে বাকিদের নেগেটিভ আসলেও, তাঁর রেজাল্ট পজেটিভ এসেছে। যদিও তিনি মানসিক দিক থেকে শক্ত রয়েছেন বলে জানিয়েছেন মন্ত্রী। বাড়ি থেকেই কাজ চালিয়ে যাবেন বলে মন্ত্রী জানিয়েছেন। বাড়িতেই তিনি চিকিৎসাধীন থাকবেন। খুব দ্রুত তিনি সুস্থ হয়ে উঠবেন ও ফের সবার সাথে কাজে যোগ দিতে পারবেন বলে আশাপ্রকাশ করেছেন রবি।

শ্রীনগেরি জেলা থেকে এই নিয়ে চতুর্থ রাজনৈতিক ব্যক্তিত্ব করোনা আক্রান্ত হলেন বলে হিসেব জানাচ্ছে। এর আগে, ওয়ার্ক ফ্রম হোমের সিদ্ধান্ত নেন কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী বি এস ইয়েদুরাপ্পা। নিজের সরকারি বাসভবনে বসে এবার থেকে কাজ করবেন তিনি বলে জানানো হয় মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে। দফতরের এক আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হওয়ায় এই সিদ্ধান্ত বলে খবর।

শুক্রবারই জানা যায় যে, ওই আধিকারিক করোনা আক্রান্ত। ৭৮ বছরের ইয়েদুরাপ্পা সরকারি বাসভবনে বসে কাজ করার সিদ্ধান্ত নেন। সরকারি বাসভবন কাবেরি থেকেই কাজ চলবে রাজ্য প্রশাসনের। তবে সরকারি বাসভবনে তৈরি হওয়া অফিসের আধিকারিক করোনা আক্রান্ত হন। বাসভবনের অফিস কৃষ্ণা সূত্রে এই খবর মিলেছে।

ইতিমধ্যেই নিজের সব বৈঠক বাতিল করেছেন ইয়েদুরাপ্পা। ভিডিও কনফারেন্সের মাধ্যমে কাজ চলছে। ভিডিও কলে চলছে একাধিক প্রশাসনিক বৈঠক। করোনা পরিস্থিতির মোকাবিলাও করছেন ভিডিও কলের মাধ্যমে। মুখ্যমন্ত্রীর দফতর থেকে জানানো হয় পরবর্তী নোটিশ না পাওয়া পর্যন্ত দফতরে কর্মীরা আসবেন না।

মন্ত্রীদের ক্ষেত্রেও একই নিয়ম জারি করা হয়। মুখ্যমন্ত্রী ইয়েদুরাপ্পা জানান তিনি সম্পূর্ণ সুস্থ রয়েছেন। তবে সাবধানতা অবলম্বন করা জরুরি। তাই দফতর না খোলার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে। এই বার্তা জানিয়ে শুক্রবার একটি ট্যুইট করেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।