বেঙ্গালুরু: লোকসভা নির্বাচনকে কেন্দ্র করে রাজনৈতিক পরিস্থিতি এমনিতেই উত্তপ্ত৷ আর তার পারদ আরও কিছুটা চড়ল কর্ণাটক৷ আগেই হাসানের চেকপোস্টে তল্লাশির জন্য কর্ণাটকের মুখ্যমন্ত্রী এইচডি কুমারস্বামীর এসইউভি থামানো হয়েছিল৷ আর এবার নির্বাচন কমিশন মুখ্যমন্ত্রীর জিনিসপত্র এবং চপার তল্লাশি করল বলে জানা গিয়েছে৷

বৃহস্পতিবার দ্বিতীয় দফায় দেশের ৯৫টি লোকসভা কেন্দ্রে চলছে ভোটগ্রহণ পর্ব৷ এদিনই কুমারস্বামীর চপার তল্লাশি করা হয়৷ এর দুদিন আগেই কর্ণাটকের প্রাক্তন মুখ্যমন্ত্রী বিএস ইয়েদুরাপ্পার জিনিসপত্র শিবামোগ্গার হেলিপ্যাডে তল্লাশি করা হয়েছিল৷ ডেকান হেরাল্ডসংবাদ মাধ্যমে প্রকাশিত খবর থেকে জানা যায়, ইয়েদুরাপ্পা জানান, রাইচুরে যাচ্ছিলেন তিনি৷ তবে তল্লাশিতে তার থেকে কোনও নগদ অর্থ বা অন্যান্য মূল্যবান জিনিস পাওয়া যায়নি৷ কর্ণাটকের বাকি ১৪ লোকসভা কেন্দ্রে ভোটগ্রহণ পর্ব সম্পন্ন হবে আগামী ২৩ এপ্রিল৷

ফাইল ছবি

এদিকে, গত মঙ্গলবার প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর চপারে তল্লাশি চালিয়ে সাসপেন্ড হলেন এক নির্বাচনী আধিকারিক৷ মহম্মদ মোহসিন নামে ওই নির্বাচনী আধিকারিক মোদীর চপারে তল্লাশি চালানোর নির্দেশ দেন৷ এই ঘটনায় ক্ষুব্ধ বিজেপি কমিশনের কাছে অভিযোগ জানায়৷ তারপরই কর্ণাটক ক্যাডারের ওই আইপিএস অফিসারকে সাসপেন্ড করা হয়৷

পড়ুন: NRC মানে ‘ন্যাশনাল বিদায় সার্টিফিকেট’, নাম দিলেন মমতা

মঙ্গলবার ঘটনাটি ঘটেছে ওড়িশার সম্বলপুরে৷ সেখানে নির্বাচনী প্রচারে যান মোদী৷ আর এই সম্বলপুরের জেনারেল অবজারভারের দায়িত্ব মহম্মদ মোহসিন৷ অভিযোগ, সম্বলপুরে মোদীর চপার নামার সঙ্গে সঙ্গে তাঁর ব্যাগে তল্লাশি চালাতে উদ্যত হন নির্বাচনী আধিকারিকরা৷ এর জন্য প্রধানমন্ত্রীকে পনেরো মিনিট সেখানে বসে থাকতে হয়৷

এই ঘটনায় সাময়িক বিশৃঙ্খলার পরিবেশ তৈরি হয়৷ প্রধানমন্ত্রীর মতো ব্যক্তি যিনি এসপিজি স্তরের নিরাপত্তা পান সেখানে তাঁর চপারে এমন তল্লাশি চালানোর ‘দুঃসাহসিকতা’ দেখানোয় কমিশনকে একহাত নেয় বিজেপি৷