বেঙ্গালুরু: কর্ণাটক ক্রাইসিস, এভাবেই কর্ণাটকের বর্তমান পরিস্থিতির ব্যাখ্যা করছে রাজনৈতিক মহল৷ জি নিউজের একটি খবর অনুযায়ী, জনতা দল-কংগ্রেসের ১১ বিধায়ক শনিবার দুপুরে রাজ্য বিধানসভায় স্পীকার রমেশ কুমারের কাছে উপস্থিত হন ইস্তফা দেওয়ার জন্য৷

এই বিধায়করা হলেন, প্রতাপগৌড়া পাতিল, শিবরাম হেব্বর, রমেশ জারকিহোলি, মহেশ কুমাতি হল্লি, নারায়ণ গৌড়া, রামালিঙ্গা রেড্ডি, সৌম্য রেড্ডি, বাইরাথি সুরেশ এবং মুনিরাথনা এবং জেডি-এস-এর গোপালাইয়াহ্ এবং এইচ বিশ্বনাথ৷

পড়ুন: রাহুলের ইস্তফায় ইচ্ছামৃত্যুর আবেদন নিয়ে রাষ্ট্রপতিকে চিঠি কংগ্রেস নেতার

জি নিউজকে রামলিঙ্গা জানান, তিনি পদত্যাগ করছেন৷ কর্ণাটক বিধানসভার ২২৫ সদস্যের মধ্যে বিজেপি-র ১০৫, কংগ্রেস৭৮ এবং জেডি(এস)-এর ৩৭ আসন৷ বিএসপি এবং কেপিজের রয়েছে ১ টি করে আসন৷ এছাড়া রয়েছে একজন ইনডিপেন্ডেন্ট এবং একজন স্পীকার৷

মনে করা হচ্ছে, যদি ১২ বিধায়ক পদত্যাগ করেন তাহলে কংগ্রেস-জেডি(এস)-এর শক্তি ১০৩-এ নেমে আসবে, অর্থাৎ ১০৮-এর থেকেও কম৷ উল্লেখ্য, কর্ণাটক নিয়ে রাজনৈতিক নাটক যেখানে চরমে পৌঁছেছে, সেখানে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী এইচ ডি কুমারস্বামী বর্তমানে বিদেশ সফরে ব্যস্ত এবং রবিবার বেঙ্গালুরুতে তাঁর ফিরে আসার কথা৷

পড়ুন: রাহুলের পরিবর্ত হিসেবে কংগ্রেসের প্রয়োজন তরুণ নেতার: অমরিন্দর সিং

প্রসঙ্গত, গত ২ জুলাই, টালমাটাল অবস্থার মধ্যেই পদত্যাগ করেন দুই কংগ্রেস বিধায়ক। এরপর থেকেই দক্ষিণের এই রাজ্যে রাজনৈতিক স্থিতি নিয়ে প্রশ্ন উঠতে শুরু করে।কর্নাটক বিধানসভা ভোটে বৃহত্তম দল হয়েও সরকার গড়তে না পারার একটা রাগ বরাবরই রয়ে গিয়েছিল ইয়েদুরাপ্পাদের‌। তাই দুই কংগ্রেস বিধায়ক পদ ছাড়ার পর থেকেই যেন মরিয়া হয়ে উঠেছেন তাঁরা। কীভাবে সমীকরণ বদলানো যায় তার হিসেব নিকেশ শুরু হয়ে গিয়েছে বিজেপি শিবিরে। শনিবার জনতা দল-কংগ্রেসের ১২ বিধায়ক শনিবার দুপুরে রাজ্য বিধানসভায় স্পীকার রমেশ কুমারের কাছে উপস্থিত হওয়ার পর থেকেই সমগ্র বিষয় নিয়ে আলোচনা ফের তুঙ্গে৷

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।