বেঙ্গালুরু: আগামী ৫ ডিসেম্বর উপ-নির্বাচন কর্ণাটকে। আর সেই ভোটের আগে বড়সড় সিদ্ধান্ত সে রাজ্যের বিজেপি নেতৃত্বের। উপ-নির্বাচনের আগে দুজন বিধায়ককে বহিষ্কার করল বিজেপি। এই ঘটনার ফলে কিছুটা হলেও অবাক হয়েছেন রাজনৈতিক বিশেষজ্ঞরা। দলের তরফ থেকে শরথ বাচেগোয়ারা এবং কভিরাজ আরসেকে বহিষ্কার করা হয়েছে। কেননা তারা বেঙ্গালুরুর হোসকতে এবং বিজয়নগর থেকে নিজেদের মনোনয়ন না তোলাতে দলের তরফ থেকে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছেন বিজেপির রাজ্য মুখপাত্র জি মধুসূদন।

এমটিবি নাগরাজ এবং আনন্দ সিং যথাক্রমে হোসকতে এবং বিজয়নগর থেকে এবার বিজেপির প্রার্থী করেছে। এর আগে ২০১৮ সালে এই দুই জায়গা থেকে তারা কংগ্রেসের টিকিটে জয়লাভ করেছিলেন।
দলের তরফ থেকে জানানো হয়েছে শরথ বাচেগোয়ারা এবং কভিরাজ আরসে এই দুইজন নির্দল প্রার্থী হিসেবে মনোনয়ন দিয়েছিল এবং তারা সেই মনোনয়ন তুলে নেয় কিনা তারজন্য অপেক্ষা করছিল। বৃহস্পতিবার ছিল প্রার্থীপদ তুলে নেওয়ার শেষদিন। কিন্তু দুই প্রার্থীর তরফ থেকে কোন প্রতিক্রিয়া না পাওয়াতে দলের কাছে এ ছাড়া অন্য কোন উপায় ছিল না। সেই কারণে ৬ বছরের জন্য সদস্যপদ বাতিল করা হয়েছে।
এদকে কর্ণাটকের এই নির্বাচনে জনতা দল সেকুলার( জেডি এস) আলাদা ভাবে প্রতিদ্বন্দ্বিতা করলেএ তারা এক্ষেত্রে শরথকে সমর্থন করছে এবং কোনও প্রার্থী দেয়নি৷

তবে দুই জেডি এস প্রার্থী শিবলিঙ্গা শিবাচার্জো স্বামী এবং গুরুপ্পা দাসোয়াল তাঁদের নমিনেশন তুলে নিয়েছেন। তারা হাভারি জেলা এবং উত্তরা কান্নারা জেলা থেকে দাঁড়িয়েছিলেন। বিজেপির চাপের মুখে পরে এইরকম কাজ করেছেন বলে খবর। মহারাষ্ট্র নির্বাচনে থমকে গিয়েছিল বিজেপির দৌড়। আর তারপর আসন্ন নির্বাচন এবং উপনির্বাচনগুলিতে নিজেদের প্রমাণ করার জন্য মরিয়া হয়ে উঠেছে বিজেপি শিবির। আর সেই কারনেই এই ধরণের পদক্ষেপ বলে মনে করা হচ্ছে।

এই রাজ্যতে উপ নির্বাচন হবে আথানি, কাগওয়ার, গোকাক, ইয়েল্লেপুরা, রানিবান্নুর সহ বেশ কয়েকটি জায়গাতে। সব মিলিয়ে এই উপনির্বাচনে ১৬৫ জন প্রার্থী লড়বেন। এদের মধ্যে ১২৬ জন নির্দল এবং ৯ জন মহিলা প্রার্থী থাকবেন। নির্বাচনের ফলাফল ঘোষণা করা হবে ডিসেম্বরের ৯ তারিখে।