মুম্বই: করিনা মানেই অফুরান উদ্দ্যমতা ও উচ্ছাস। প্রেগন্যান্সির মধ্যেও আমির খানের সাথে পুরোদমে দিল্লীতে ‘লাল সিং চাড্ডা’ শুটিং চালিয়ে গেছিলেন তিনি। দিল্লীতে স্ত্রীর যত্ন নিতে পৌঁছেছিলেন সইফ আলি খান ও বড় ছেলে তৈমুর আলি খান।মাতৃত্ব মানেই যে শুধু বিরতি আর অখণ্ড অবসর নয় তা করিনার জীবন থেকে স্পষ্ট। তাই দ্বিতীয় প্রেগন্যান্সির পরেই নিজের অনুরাগীদের জন্য যে ছবি তিনি পোস্ট করলেন তাঁর টাইমলাইনে তাতেও তাঁর রূপ থেকে জেল্লা উপচে পড়ছে।মাথায় টুপি,চোখে কালো সানগ্লাস আর পাউটমুখী করিনার রূপ দেখে মন ভরে গেলো অনুরাগীদের। অর্জুন কাপুর কমেন্ট বক্সে লিখেছেন ‘ রোস্ট চিকেন গ্লো‘।

সন্তান প্রসবের পর মায়েরা সাধারণত একটু হলেও বুড়িয়ে যান, কেউ হয়তো তুলনামূলক মোটা হয়ে যান তো কেউ আবার শারীরিক ভাবে দুর্বল হয়ে রুগ্ন হয়ে যান। যদিও এই সবটাই নির্ভর করে খাওয়াদাওয়া ও শরীর চর্চার উপর ।বছর ৪১ এর এই অভিনেত্রী আগের মতনই ফিট এন্ড পারফেক্ট। অথচ তাঁর স্কিন এখনো টানটান,উজ্জ্বল। যেন মাখন ঝরছে তাঁর স্কিন থেকে। আর এই রূপের রহস্য বিশুদ্ধ খাওয়া দাওয়া,আর এক্সারসাইজ।

সাধারণত করিনা ভাত খান খুবই কম। কারণ তাতে কার্বোহাইড্রেট থাকে। সামনে গরম তাই নিজের ও সন্তানের পুষ্টির কথা টক দই তাঁর প্লেটে থাকবেই থাকবে।এছারও অরগ্যানিক শাক সবজি খান, ফল দুধ আছেই তাঁর খাদ্য তালিকায়।তবে নিজের ছবি দিলেও,সবাইকে নিরাশ করে নবজাতকের ছবি তিনি এখনো সামনে আনেননি।

হাসপাতাল থেকে বেরিয়ে চটপট গাড়িতে উঠে বাড়ির পথে রওনা হন সইফ আলি খান এবং করিনা কাপুর খান। নবজাতককে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পর করিশ্মা কাপুর, সোহা আলি খান, কুণাল খেমুরা দেখতে আসেন তাঁদের।বৃহস্পতিবার দুপুরে সৎ মা এবং ছোট্ট ভাইকে দেখতে সইফিনার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ছিলেন সারা।কিন্তু অন্যদিকে করিনার শাশুড়ি অর্থাৎ শর্মিলা থাকুর এখনো নিজের দ্বিতীয় নাতির মুখ দেখতে পাননি। কারণ, তিনি এখনও দিল্লিতে আটকে।

তবে তিনি তার বৌমার প্রশংসায় পঞ্চমুখ। সম্প্রতি একটি সাক্ষাৎকারে তিনি বলেছেন, তাঁদের পরিবারের মধ্যে শুধুমাত্র করিনাই একজন যিনি শর্মিলা ঠাকুর কোন মেসেজ করলে চটপট তার উত্তর দেন। যা সইফ আলি খান কিংবা সোহা আলী খান করেন না। সে যাই হোক এবার দেখার দ্বিতীয় নাতির মুখ ঠাকুমা কোন উপহার দিয়ে দেখেন

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।