মুম্বই: আজ আন্তর্জাতিক নারী দিবস। বা ‘নারী দিবস’। আন্তর্জাতিক নারী দিবসে সইফ ঘরণী, করিনা কাপুর খান শেয়ার করলেন তার সদ্যজাত সন্তানের ছবি।

নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলের মাধ্যমে দ্বিতীয় সন্তানের ছবি প্রকাশ্যে এনে, অভিনেত্রী লিখলেন,’এমন কোনও কাজ নেই, যা মেয়েরা পারে না।’ করিনার সঙ্গে সদ্যোজাতর ছবি দেখে ভালবাসা জানাতে শুরু করে বলিউডের তারকামহল। করিশ্মা কাপুর থেকে শুরু করে করিনার ননদ সাবা পতৌদি, পুনম দামানিয়া, অমৃতা অরোরা, নাতাশ পুনাওয়ালা-সহ প্রত্যেকে ভালবাসা জানিয়েছেন, অভিনেত্রীকে।

দ্বিতীয়বার মা হয়েছেন করিনা আর চতুর্থবার বাবা হলেন সইফ ৷ সইফিনার দ্বিতীয় সন্তান,তাঁকে কেমন দেখতে হয়েছে এসব নিয়ে বি-টাউনে জল্পনা ছিলো তুঙ্গে। অবশ্য এর আগে, রণধীর কপুর জানিয়েছিলেন, যদিও তাঁর কাছে জন্মের পর সব বাচ্চাকেই একই রকম দেখতে মনে হয়। তবে করিনার দ্বিতীয় সন্তানকে না তাঁর বাবা না তাঁর মায়ের মতো দেখতে হয়েছে । বরং এই খুদে নবাবকে তার দাদা তৈমুরের মতো দেখতে হয়েছে।

হাসপাতাল ও তারকা দম্পতির নতুন বাড়ির সামনে ক্যামেরা তাক করে বসে ছিলেন পাপারাৎজিরা। যাতে কোনোভাবেই তাঁদের ক্যামেরার লেন্স থেকে করিনার দ্বিতীয় সন্তানের ছবি কোনও ভাবেই মিস হবে না হয়ে যায় । এমনকি এক পাপারাজ্জি তো সীমা লঙ্ঘন করে লুকিয়ে করিনার বাড়ির দেয়াল বেয়ে সদ্যোজাত ছবি তুলতে গিয়ে,অর্জুন কপুর এর থেকে অপমানিত হন।

মুম্বইয়ের (mumbai) ব্রিজক্যান্ডি নার্সিংহোমে পুত্র সন্তানের জন্ম দেন অভিনেত্রী। তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যারা।নবজাতককে নিয়ে বাড়িতে ফেরার পর করিশ্মা কাপুর, সোহা আলি খান, কুণাল খেমুরা দেখতে আসেন তাঁদের।দুপুরে সৎ মা এবং ছোট্ট ভাইকে দেখতে সইফিনার বাড়িতে উপস্থিত হয়ে ছিলেন সারা।
ভাইয়ের জন্মের পর থেকেই খুবই উচ্ছ্বসিত তৈমুর আলি খান। ছোট্ট ভাইয়ের সঙ্গে সে সময় কাটবে,খেলবে,এসব ভেবে আনন্দে আত্মহারা তৈমুর (Taimur Ali Khan)। অন্যদিকে কোভিডের আঁচ যেন কোনোভাবেই পরিবারে না আসে তার জন্য প্রথম থেকেই খুব সাবধানী ছিলেন সইফ। সইফ প্রত্যেকের সুস্থতার কথা ভেবে পিতৃত্বকালীন ছুটি নিয়েছিলেন। খুদে নবাগতের মুখ এখনো সামনাসামনি দেখিনি ঠাকুরমা শর্মিলা ঠাকুর। কোভিড পরিস্থিতিতে বর্ষিয়ান অভিনেত্রীকে সম্পূর্ণ সুস্থ রাখতে পরিবারের এই উদ্যোগ। মানে তিনি আপাতত দিল্লিতে আটকে আছেন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.