মুম্বইঃ বলিপাড়ায় পান পাতলেই শোনা যায় করিনা ও প্রিয়াঙ্কার ক্যাট ফাইটের কথা। এই দুই অভিনেত্রী বলিউডে একই সময় রাজ করেছেন। একে অপরকে টেক্কা দেওয়া সত্ত্বেও জাতীয় পুরষ্কার উঠে এসেছে প্রিয়াঙ্কা চোপড়ার হাতে। ২০১০ সালে ‘ফ্যাশন’ সিনেমাটির জন্যে তিনি পেয়েছিলেন জাতীয় পুরষ্কার। এই প্রসঙ্গে করিনা বলেছিলেন, তাঁর জাতীয় পুরষ্কার দরকার নেই। যা শুনে প্রিয়াঙ্কা বলেন, ‘আঙুর ফল টক’।

দুই অভিনেত্রীর বলিউডে পা রাখা প্রায় এক সময়েই বলা চলে। ২০০০ সালে করিনার ‘রিফিউজি’ এবং ২০০৩ সালে প্রিয়াঙ্কার ‘দ্য হিরো’ ছিল তাদের বলিউড যাত্রার শুরু। রিফিউজি ফ্লপ করলেও তার পরের বছর ‘অশোকা’ এবং ‘কভি খুশি কভি গাম’ ছিল তার ঘুরে দাঁড়ানো। অন্যদিকে ২০০৪ এ প্রিয়াঙ্কার ‘অ্যাতরাজ’ ছিল বেশ প্রশংসনীয়। এই ছবিতে করিনাকেও অভিনয় করতে দেখা যায়। ২০১০-এ প্রিয়াঙ্কার জাতীয় পুরষ্কার পাওয়ার পর ২০১২ সালে ‘কফি উইথ করণ’ শো এর একটি এপিসোডে অনুষ্ঠানটির প্রযোজক এবং সঞ্চালক করণ করিনাকে জাতীয় পুরষ্কার নিয়ে জিজ্ঞাসা করেন। উত্তরে কারিনা জানান, ‘আমার জাতীয় পুরষ্কার চাই না। সত্যিই আমার এই ধরনেই কিছু দরকার নেই। আমি শুধু চাই দর্শক আমার ছবি দেখুক। আমায় ভালবাসুক।’ প্রসঙ্গত, কারিনা এখনও কোন জাতীয় পুরষ্কার পাননি। কারিনার এই মন্তব্যের প্রেক্ষিতে প্রিয়াঙ্কা একটি সংবাদমাধ্যমে বলেছিলেন, ‘যখন তুমি কোন জিনিস পাও না তখন আঙুর ফল টক লাগে। বুঝতে পারছ নিশ্চয়ই আমি কী বলছি।’

দুই অভিনেত্রীর মধ্যেই হামেশাই চোখে পড়েছে দুষ্টু খুনসুটি। প্রিয়াঙ্কা বলিউডের পরে পা রেখেছেন হলিউডে। সেখানেও তিনি জনপ্রিয়তা অর্জন করেছেন। তাই বলিউডের পাশাপাশি প্রিয়াঙ্কা এখন বিশ্ব তারকা। হলিউডের গায়ক ও গীতিকার নিক জোনাসের সঙ্গে ২০১৮ এর ডিসেম্বরে বিবাহ করেছেন প্রিয়াঙ্কা। বিয়ের পর ২০১৯ এ ‘কফি উইথ করণ’ এ প্রিয়াঙ্কা – করিনা দুই অভিনেত্রীকে একসঙ্গে দেখা গেছে। সেখানে দুজনেরই প্রাক্তন প্রেমিক শাহিদ কাপুরকে নিয়ে তারা কথাও বলেছিলেন। এছাড়া প্রিয়াঙ্কার বিয়ের গল্পও শুনতে চেয়েছেন করিনা। নিক ব্রাদার্সকে যে পছন্দ করেন, সে কথাও জানিয়েছেন সইফ ঘরণি করিনা।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.