মুম্বই : ফের খুশির হাওয়া পতৌদি পরিবারে।দাদা হলেন ছোট্ট তৈমুর (Taimur Ali Khan)। রবিবার দ্বিতীয়বার পুত্র সন্তানের জন্ম দিলেন অভিনেত্রী করিনা কাপুর খান (Kareena Kapoor Khan)।
রবিবার মুম্বইয়ের (mumbai) ব্রিজ(Brij) ক্যান্ডি নার্সিংহোমে জন্ম দেন অভিনেত্রী। চিকিৎসকরা ও বাবা রণধীর কপুর জানিয়েছেন, মা ও সন্তান দু-জনেই সুস্থ রয়েছেন। গতকালই তাঁকে দেখতে গিয়েছিলেন পরিবারের সদস্যারা।

গতকালই প্রকাশ্যে আসে তাঁর বেবিবাম্প নিয়ে ফটোশুটের (Kareena photoshoot) একটি ছবি।
দ্বিতীয়বার মা হওয়ার আগে এবার নতুন করে ফটোশ্যুট করেন করিনা কাপুর খান (Kareena Kapoor Khan)। যেখানে সাদা রঙের গাউন পরে ক্যামেরার সামনে হাজির হন অভিনেত্রী।২০১৬-তে প্রথমবার মা হয়েছিলেন করিনা কাপুর। রবিবার মুম্বইয়ের (mumbai) ব্রিঞ্জ ক্যান্ডি নার্সিংহোমে জন্ম দেন অভিনেত্রী।
অপেক্ষা চলছিলই। খুদে সদস্যকে নিয়ে উত্তেজনা ছিল সেলেব মহলে। গতকালই তাঁর বেবিবাম্প নিয়ে ফটোশুটের (Kareena photoshoot) একটি ছবি প্রকাশ্যে আসে। দ্বিতীয়বার মা হওয়ার আগে এবার নতুন করে ফটোশ্যুট করেন করিনা কাপুর খান (Kareena Kapoor Khan)। যেখানে সাদা রঙের গাউন পরে ক্যামেরার সামনে হাজির হন অভিনেত্রী। নিজের সোশ্যাল হ্যান্ডেলেই (Instagram) সেই ভিডিয়ো শেয়ার করেন করিনা।

চলতি সপ্তাহের মাঝামাঝি সময় থেকেই কাউন্টডাউন শুরু হয়ে গিয়েছিল।গত বৃহস্পতিবারও করিনার মা ববিতা কাপুর, দিদি করিশমা কাপুর সকলেই এসেছিলেন সইফ-করিনার বাড়িতে।  প্রসঙ্গত, প্রেগন্যান্ট অবস্থাতেই লাল সিং চাড্ডা র শুটিং চলিয়ে গেছেন অভিনেত্রী।তার জন্য দিল্লী উড়ে যান তিনি।তাঁর সাথে দিল্লীর পতৌদি হাউজে যান সইফ ও তৈমুর। কোনও অবস্থাতেই কাজের সঙ্গে আপোস করেননি অভিনেত্রী। সম্প্রতি এক সাক্ষাৎকারে করিনা কাপুর খান সবসময় নিজের মত করে কাজ করতেই ভালোবাসেন।
তিনি ১৭ বছর বয়স থেকে কাজ করে যাচ্ছেন ।তাই এবার অন্তঃসত্ত্বা অবস্থাতে কাজ করে গেছেন। তবে সাবধানে, তাঁর বাড়িতে একটা ছোট্ট শিশু আছে, সেটা মাথায় রেখেই। অন্যদিকে তৈমুর আলী খানও সেলেব মহল থেকে আম আদমির কাছে যথেষ্ট পপুলার। তাকে বিভিন্ন সময়ে পোজ দিতে দেখা গেছে মিডিয়ার সামনে। পপুলারিটি দিক থেকে তিনি সেলিব্রিটিদের মধ্যে অন্যতম নাম।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।