মুম্বই: শুটিং ফ্লোরে তাদের গ্ল্যামার সবসময় উপচে পড়ে। কিন্তু হেঁসেলে কী অবস্থা হয় তাঁদের? কঠিন কোন সুস্বাদু রান্নার পদ রান্না করতে দিলে তখনও কি সেই গ্ল্যামার দুনিয়ার নায়ক-নায়িকা, প্রযোজক বা পরিচালকই থাকেন তারা নাকি চোখের জল নাকের জলে অবস্থা হয় তাঁদের। বি-টাউনের গ্ল্যামারাস নায়ক-নায়িকা অভিনেতা অভিনেত্রী এবং প্রযোজক-পরিচালকদের হেঁশেলের করুণ অবস্থায় তুলে ধরবে, ডিসকভারি+ ইন্ডিয়া’র নতুন এই কুকারি শো।

এই সেলিব্রিটি কুকিং শো ‘স্টার ভার্সেস ফুড-এ প্রতি সপ্তাহে একেক জন তারকা হাজির হবেন এই জাঁকজমকপূর্ণ হেঁসেলে। আর তাদের একমাত্র চ্যালেঞ্জ হবে সুস্বাদু খাবারের পদ তৈরি করার । তবে এই শো- তে তাঁরা যে একাই রান্না করবে এমনটা নয়, রান্নাঘরে তাঁকে সাহায্য করার জন্য থাকবেন একজন পেশাদার শেফ।

প্রিয় মানুষের জন্য কোন সুস্বাদু পদ রান্না করতে হলে কী হবে সেই রান্না এবং কীভাবে তাঁরা নৈপুণ্যের সঙ্গে নির্দিষ্ট সময়ের মধ্যে তা করে দেখাতে পারে তাই হবে চ্যালেঞ্জ। শেফ সরিতা পেরেইরার পরিচালনায় এই কুকিং শোয়ে উঠে আসবে আমার আপনার মতনই, গ্ল্যামার জগতের রথী-মহারথীরাও কিভাবে হেঁসেল সামলাতে নাজেহাল হন। আড্ডা এবং নানান মজায় জমে উঠবে এই শো। শোয়ের প্রথম পর্বে অতিথি করিনা কাপুর খান। করিনা ছাড়াও ওই শোয়ের অন্যান্য পর্বগুলিতে অতিথি হয়ে উপস্থিত থাকবেন মালাইকা অরোরা খান,অর্জুন কাপুর, করুন জোহর ও আরও অনেকে।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ওই চ্যানেল কর্তৃপক্ষের তরফে প্রকাশ করা হয়েছে করিনার এপিসোডের টিজার। দেখা যাচ্ছে একজন শেফের তত্বাবধানে রান্না করতে ঘেমে-নেয়ে একশা হচ্ছেন এই পতৌদি বেগম করিনা কাপুর খান। এছাড়াও নানান মজাদার প্রশ্নের উত্তর দিচ্ছেন তিনি। আবার কখনো কখনো রান্নার জন্য চেষ্টা করতে গিয়ে হাতের দারুন ব্যথা করছে এমনটাও জানালেন তিনি। প্রায় ত্রিশ বার চেষ্টা করে নান রুটি বানাচ্ছে করিনা। মজার প্রশ্নোত্তর পর্বে উঠে এলো কখনো করিনা কাপুর খান জেনে-বুঝে অতিরিক্ত খাবার খেয়ে ফেলেছেন কিনা!। অভিনেত্রী জানালেন তাঁর প্রেগনেন্সির সময় তিনি ওভারইটিং করেছেন।

আবার রান্নাঘরে ঢুকে রান্না করতে গিয়ে তাঁর নানান সরঞ্জাম নিয়ে বেশ চিন্তিত করণ শেফকে জিজ্ঞেস করলেন, ‘এটা উপরে উঠে আসবে নাতো?’। আবার মল্লিকা যখন ভীষণ আত্মবিশ্বাসের সঙ্গে ক্যামেরার মাধ্যমে দর্শকদের কিছু একটি বলতে চলেছেন তখন সেই সে তার সামনে একটা বিশাল বড় কাঁচা মাছ তুলে দিলেন চ্যালেঞ্জ ছোড়ার ভঙ্গিতে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.