স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: ২০১২র ২২ জুলাই ইতিহাসের সাক্ষী থেকেছে গোটা দেশ৷ ওই দিন রাষ্ট্রপতি হিসাবে প্রথম রাইসিনায় প্রবেশ করেন বাঙালিবাবু, প্রণব মুখোপাধ্যায়৷ আগামিকাল তাঁর মেয়াদ শেষ হচ্ছে৷ তবে তার ঠিক আগে চাঞ্চল্যকর দাবি লোকসভার প্রাক্তন স্পিকার সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়ের৷ বলেছেন, দেশের প্রথম বাঙালি রাষ্ট্রপতি হওয়ার সবরকম সম্ভাবনা ছিল তাঁর৷ সুযোগও ছিল৷ প্রস্তাব দিয়েছিল কংগ্রেস৷ তবে সেই প্রস্তাব খারিজ করে দেন তৎকালীন সিপিএমের সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক প্রকাশ কারাত৷ বাংলা দৈনিক আজকাল পত্রিকাকে দেওয়া একান্ত সাক্ষাৎকারে এমনই জানিয়েছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়৷

প্রধানমন্ত্রী হতে পারেননি প্রয়াত মুখ্যমন্ত্রী জ্যোতি বসু৷ প্রকাশ কারাতের তীব্র আপত্তির জেরেই জ্যোতি বসুর প্রধানমন্ত্রী হয়ে ওঠা হয়নি৷ এইউ অবস্থানকে ‘ঐতিহাসিক ভুল’ হিসেবেই মনে করেছিলেন জ্যোতি বসু৷ পরবর্তী সময়ে বঙ্গ সিপিএমের তাবড় নেতৃত্বের গলায় শোনা গিয়েছিল এমনই কথা৷

এদিকে সোমনাথ বাবু জানিয়েছেন, ২০০৭ সালে শরদ যাদব তাঁকে রাষ্ট্রপতি হওয়ার জন্য অনুরোধ করেন৷ কংগ্রেসই তাঁকে তখন পাঠিয়েছিল৷ সেই সঙ্গে তিনি আরও বলেছেন, ডিএমকে, বিজেডি, পাঞ্জাবের আকালি দল তাঁকে সমর্থন করবে বলে জানিয়েছিলেন শরদ যাদব৷

বাম ঐক্যই অগ্রাধিকার: প্রকাশ কারাট

সিপিএম থেকে ‘বহিষ্কৃত’ সোমনাথ বাবু আরও বলেছেন, শুধু তাই নয় শিবসেনাতেও নাকি দুজন সোমনাথবাবুর অত্যন্ত ঘনিষ্ঠ ছিলেন৷ তাঁরা বাধা দিতেন না৷ এদিকে বিজেপিও সেই সময় কোনও প্রার্থীকে দাঁড় করাবে না বলেও কংগ্রেসের তরফে সেই বার্তা সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়কে জানিয়েছিলেন শরদ যাদব৷ তবে সবটা শুনে ব্যক্তিগতভাবে রাজি হলেও দলের অনুমতি নেওয়া প্রয়োজন বলে শরদ যাদবকে তখন জানিয়েছিলেন সোমনাথ৷ পরে প্রকাশ কারাত বেঁকে বসতেই প্রথম বাঙালী হিসাবে রাষ্ট্রপতি হতে পারেননি সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়৷

তবে তাই নয়৷ প্রকাশ কারাত না বলার পরেও নীতীশ কুমার তাঁকে সাত থেকে আটবার ফোন করেছিল বলেও ওই সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়৷ এছাড়াও প্রকাশ কারাতের বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন তিনি৷ ওই সাক্ষাৎকারে তিনি আরও বলেছেন, পার্টির দায়িত্বে ছিলেন তখন কারাত৷ ইউপিএ জমানায় পরমাণু চুক্তিকে কেন্দ্র করে সংসদে সরকারের বিরুদ্ধে তাঁকে ভোট দিতে বলা হয়৷ তা তিনি নাকচ করেন৷ তাঁর কথায় মূলত সেই ক্ষোভ থেকেই তাঁকে রাষ্ট্রপতি হতে দেওয়া হয়নি৷
এছাড়াও প্রকাশ কারাত জ্যোতি বসুকে প্রধানমন্ত্রী হতে দেয়নি বলেও ওই বাংলা দৈনিককে সাক্ষাৎকারে জানিয়েছেন সোমনাথ চট্টোপাধ্যায়৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।