মুম্বই- সুশান্ত সিং রাজপুতের মৃত্যুর পরে বলিউডে নেপোটিজম বা স্বজনপোষণ নিয়ে চলছে বিতর্কের ঝড়। অনেকেই মনে করছেন বলিউডের নেপোটিজম এর কারণেই অবসাদে চলে গিয়েছিলেন সুশান্ত। আর এই নেপোটিজম এর ধ্বজাধারী হিসেবে দায়ী করা হচ্ছে প্রযোজক পরিচালক করণ জোহরকে।

নেপোটিজমের প্রধান মুখ হিসেবে বলিউডে তাঁকেই মনে করা হয়। তাই সুশান্তের মৃত্যুর পথ থেকে একের পর এক হুমকি পাচ্ছেন করণ। আর সেই জন্যই নাকি এবার তিনি মানসিকভাবে বিপর্যস্ত হয়ে পড়েছেন। জানিয়েছেন করণ জোহরের এক বন্ধু। ঘটনার পর থেকে করনের কাছে নানা রকমের হুমকি আসছে। নানা রকম ভাবে তাকে ট্রোল করা হচ্ছে। খুনের হুমকি ও পেয়েছেন করণ। এমনকি করনের তিন বছরের যমজ সন্তানদেরও খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে বলে জানা গিয়েছে।

করনের এক ঘনিষ্ঠ সূত্রের কথায়, “সোশ্যাল মিডিয়ায় এর আগেও করণ আক্রমণের শিকার হয়েছেন। ওর ধারণা ছিল ওর কাছে বিষয়গুলি সয়ে গিয়েছে। কিন্তু সুশান্তের মৃত্যুর পর ওকে যেভাবে আক্রমন করা হচ্ছে তাতে ও মানসিকভাবে ভেঙে পড়েছে। শুধু করণকেই নয়। ওর তিন বছরের দুই যমজ সন্তানকেও খুনের হুমকি দেওয়া হচ্ছে।” সুশান্তের মৃত্যুর দিন একটি আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন করণ।

কিন্তু তারপরে আর এই ঘটনা নিয়ে কোনো রকম কথা বলেননি তিনি। এ বিষয়ে করণ-এর বন্ধু বলিউড হাঙ্গামা-র কাছে জানিয়েছেন, করণকে তার আইনজীবী চুপ থাকার পরামর্শ দিয়েছেন। করণ এই মুহূর্তে কথা বলার পরিস্থিতিতেও নেই। আমি যখন ওকে ফোন করেছিলাম ও কান্নায় ভেঙ্গে পড়ে।

শুধুই কাঁদছে আর বলছে এসব কি ওর প্রাপ্য?” করণ ছাড়াও নেপোটিজম বাহিনীর সদস্য হিসেবে আক্রমণ করা হয়েছে আলিয়া ভাট, সোনম কাপুর, বরুণ ধাওয়ান, অনন্যা পান্ডেকে। প্রসঙ্গত সুশান্তের মৃত্যুর দিন একটি ছবির সঙ্গে আবেগঘন পোস্ট করেছিলেন করণ।সুশান্তের সঙ্গে ঠিকমতো যোগাযোগ না রাখায় নিজেকে দোষী বলে মনে করছেন, এমন লিখেছিলেন তিনি।

করণ ইনস্টাগ্রাম পোস্টে লিখেছিলেন, “শেষ বছরটা তোমার সঙ্গে যোগাযোগ না রাখার জন্য আমি সত্যি নিজেকে দোষারোপ করছি। আমার কখনো কখনো মনে হয়েছিল তোমার জীবনে মানুষের দরকার কথা বলার জন্য। কিন্তু কখনোই নিজে থেকে সেটা করতে যাইনি। কিন্তু এই ভুলটা আমি আর করব না।

আমরা একটা খুব এনার্জেটিক দুনিয়ার মানুষ কিন্তু তবুও আমাদের মধ্যে দূরত্ব থাকে। আমরা কেউ কেউ এই নির্জনতা পেরিয়ে যাই। আমাদের শুধু সম্পর্ক তৈরি করলেই চলবে না। সেগুলিতে সব সময় থাকতে হবে। সুশান্তের মৃত্যুটা আমাদের চোখ খুলে দিয়েছে। তোমার ওই মিষ্টি হাসিটা খুব মিস করবো।”

পপ্রশ্ন অনেক: চতুর্থ পর্ব

বর্ণ বৈষম্য নিয়ে যে প্রশ্ন, তার সমাধান কী শুধুই মাঝে মাঝে কিছু প্রতিবাদ