মুম্বই : সম্প্রতি বিয়ে সেরেছেন কপিল শর্মা এবং গিন্নি চাত্রাথ৷ বিয়ের ছবি, ভিডিও প্রকাশ্যে আসার পর কপিল-ফ্যানেরা তাঁদের নতুন জীবনের শুভেচ্ছা জানিয়েছে৷ পাশাপাশি শুরু হয়েছে কপিলের প্রশংসা৷ কারণ চ্যারিটি৷

তাঁদের বিয়েতে যে খাবার অতিরিক্ত হয়ে গিয়েছিল সেসব তাঁরা একটি এনজিওতে দান করে দিয়েছেন৷ কপিলের টিম বিষয়টি একটি প্রেস রিলিজের মাধ্যমে জনসমক্ষে এনেছেন৷ কপিলের প্রশংসায় ভক্তকূল পঞ্চমুখ হলেও সোশ্যাল মিডিয়ায় উঠছে প্রশ্ন৷ উচ্ছিষ্ট খাবার দান করার কোনও মানে হয় না৷ দেওয়ার হলে সঠিক ভাবে দাও৷ এমনই দাবি করেছে কিছু নেটিজেন৷

পড়ুন: মাদক পাচার করতে গিয়ে গ্রেফতার জনপ্রিয় অভিনেত্রী

প্রসঙ্গত, ১২ ডিসেম্বর, ২০১৮৷ দিনটা সকলেই অম্বানি পরিবারের মেয়ে ইশার বিয়ের দিন হিসেবেই মনে রেখেছিল৷ একই দিনে বিয়ে করেছেন কপিলও৷ অম্বানিদের তুলনায় কপিলের বিয়ে খানিক ঘরোয়া মনে হলেও বেশ জাঁকজমকভাবেই হয়েছে সেই বিয়ে, পালন করা হয়েছে সমস্ত রীতিনীতি৷ তাঁদের বিয়ের বেশ কয়েকটি ছবি এবং ভিডিও ভাইরাল হয়েছে নেটদুনিয়ায়৷ কপিল নিজের সোশ্যাল মিডিয়া হ্যান্ডেলে বিয়ের একটি ছবি পোস্ট করেছেন৷

পড়ুন: সম্পর্ক নিয়ে মুখ খুললেন ‘বাহুবলী’ প্রভাস

সবুজ রঙের শেরওয়ানি পরে দাঁড়িয়ে কপিল এবং লাল রঙের লেহেঙ্গা পরে গিন্নি৷ বিয়ের আসর সাজানো হয়েছিল নানা রঙের ফুল দিয়ে৷ ডাইনিংয়ের জায়গার একটি ভিডিও প্রকাশ্যে এসেছে পাশাপাশি বিয়ের পর একটি পার্টিরও ভিডিও এখন সোশ্যাল মিডিয়ার হটকেক৷

অনেকদিন ধরেই টেলি জগৎ থেকে দূরে ছিলেন তিনি৷ পাপারাৎজির ক্যামেরাও তাঁকে ধরতে গিয়ে ব্যর্থ হয়েছেন বহুবার৷ দেশের মাটি ছেড়ে ছুটে গিয়েছিলেন বিদেশে৷ ডিপ্রেশনে ভুগছিলেন তিনি৷ মাঝে মধ্যে ভাইরাল হওয়া কিছু ছবিতে এমনটাই প্রকাশ পেয়েছিল৷ অতীত ভুলে নতুন জীবনের সূচনায় কপিল৷

পড়ুন: বিয়ে করলেন ঝিলিকের ‘মা’, দেখুন সেই বিয়ের অ্যালবাম

দীর্ঘদিনের রিলেশনশিপ গিন্নি চাত্রাথের সঙ্গে৷ তাঁর সঙ্গে মাঝে কিছু সমস্যা দেখা দিলেও এখন সবকিছু অতীত৷ মাস খানেক আগে জানা গিয়েছিল বিয়ের কার্ড দিয়ে সকলকে আমন্ত্রণ করা শুরু হয়ে গিয়েছে৷ যদিও কপিল এই বিষয় প্রথমদিকে কোনও মন্তব্য করেননি৷ তাঁর ঘনিষ্ঠ মহল থেকে জানা গিয়েছিল, ডিসেম্বরেই বিয়ে করছেন কপিল৷

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.