কলকাতা২৪X৭: আমাদের প্রত্যেকেরই কিছু না কিছু ডাকনাম আছে। সেই নাম ধরে আমাদের পরিবার, প্রিয়জনেরা ডেকে থাকেন। জনপ্রিয় ক্রীড়াবিদরাও এর ব্যতিক্রম নন। অনুরাগী, ক্রীড়া বিশেষজ্ঞেরা তাঁদের খেলার ধরণের ওপর ভিত্তি করে বেশ কিছু ক্রীড়াবিদের ভিন্ন ডাকনাম দিয়েছেন। এমনই কয়েকজন জনপ্রিয় ভারতীয় ক্রীড়াবিদের ডাকনাম কি তা একটু দেখে নেওয়া যাক।

শিখর ধাওয়ান (Shikhar Dhawan): ভারতের জাতীয় দলের ক্রিকেটার শিখর ধাওয়ানের ডাকনাম হল ‘গব্বর’। আন্তর্জাতিক ক্রিকেটে অভিষেক হওয়ার আগেই তাঁর এই নামকরণ হয়ে গিয়েছিল। দিল্লির জাতীয় দলের হয়ে খেলাকালীন সময়ে সিলি-পয়েন্টে ফিল্ডিং করতে করতে প্রতিপক্ষ ব্যাটসম্যানের মনঃসংযোগ নষ্ট করার জন্য তিনি ‘শোলে’ ছবির খলনায়ক গব্বরের বেশ কিছু সংলাপ বলতেন। সেই কারণেই দিল্লির তৎকালীন কোচ বিজয় দাহিয়া তাঁর নাম দেন ‘গব্বর’।

অজিত আগরকর (Ajit Agarkar): ভারতের প্রাক্তন অল-রাউন্ডার অজিত আগরকরের ডাকনাম হল ‘দ্য বম্বে ডাক’। একবার অস্ট্রেলিয়ার বিরুদ্ধে দুটি ভিন্ন সিরিজের টেস্ট ম্যাচে মুম্বইকার অল-রাউন্ডার অজিত পরপর সাতবার শূন্য রানে আউট হয়ে গিয়েছিলেন। তারপর থেকেই তাঁর ডাকনাম হয়ে যায় ‘দ্য বম্বে ডাক’।

পিটি উষা (PT Usha): ভারতের অন্যতম সেরা স্প্রিন্টার পি টি উষার ডাকনাম হল ‘দ্য পায়োলি এক্সপ্রেস’। তিনি যে শহর থেকে এসেছেন ও তাঁর এক্সপ্রেস গতির জন্য এই নামকরণ করা হয়েছে। পি টি উষা সবচেয়ে কমবয়সি স্প্রিন্টার যিনি অলিম্পিকে ভারতের প্রতিনিধিত্ব করেছেন। কেরিয়ারের দ্বিতীয় অলিম্পিকে মাত্র ১/১০০ সেকেন্ডের জন্য তাঁর পদক পাওয়া অধরা থেকে গিয়েছিল।

মিলখা সিং (Milkha Singh): কমনয়েলথ গেমসে ভারতের প্রথম সোনাজয়ী স্প্রিন্টার হলেন মিলখা সিং। ১৯৬০ সালে ভারতের পাকিস্তান সফরে মিলখা সিং না আব্দুল খালিদ- এশিয়ার সবচেয়ে দ্রুত পুরুষ কে তা জানার জন্য অনুরাগীরা অধীর আগ্রহে ছিলেন। মিলখা খুব সহজেই আব্দুলকে হারিয়ে দিয়েছিলেন। সেকারণে পাকিস্তানের তৎকালীন জেনারেল তাঁর নাম দেন ‘দ্য ফ্লাইং শিখ’।

মেরি কম (Mary Kom): ভারতের সর্বকালের অন্যতম সেরা অ্যাথলিট ও ছয়বার বক্সিং-এর বিশ্বচ্যাম্পিয়ন মেরি কমের ডাকনাম হল ‘ম্যাগনিফিশেন্ট মেরি’।অলিম্পিকে ব্রোঞ্জ পদক জয়ী ৩৮ বছর বয়সি মেরিকে টোকিও অলিম্পিকেও ফের ভারতের প্রতিনিধিত্ব করতে দেখা যাবে, এবং অনুরাগীরা তাঁকে এইবার সোনা জিততে দেখার আশায় বুক বাঁধতে কিন্তু শুরু করে দিয়েছেন।

কারনাম মালেশ্বরী (Karnam Malleswari): কারনাম মালেশ্বরী হলেন ভারতের প্রাক্তন ভারত্তোলক। তিনি প্রথম ভারতীয় মহিলা ক্রীড়াবিদ যিনি অলিম্পিকে দেশের হয়ে পদক জিতেছেন। তাঁর অসাধারণ শক্তির কারণে তাঁর ডাকনাম ‘আয়রন লেডি’।

কপিল দেব (Kapil Dev): ১৯৮৩ সালে ভারতকে প্রথম ক্রিকেট বিশ্বকাপ এনে দেওয়া অধিনায়ক কপিল দেবের ডাকনাম হল ‘হরিয়ানা হারিকেন’। ঘরোয়া ক্রিকেটে তিনি হরিয়ানার হয়ে খেলতেন, এবং তিনি তাঁর বিশেষ ধরণের রান-আপ ও ভয়ঙ্কর আউটসুইঙ্গারের জন্য পরিচিত ছিলেন। এছাড়াও লোয়ার মিডল-অর্ডারে ব্যাট করতে এসে আক্রমণাত্মক ভঙ্গিতে ব্যাটও করতেন তাই তাঁর এই নাম দেওয়া হয়েছিল।

সাইনা নেহওয়াল (Saina Nehwal): অলিম্পিকে ব্যাডমিন্টনে ভারতকে প্রথম পদক এনে দেওয়া সাইনার ডাকনাম ‘স্টেফি সাইনা’। জনপ্রিয় টেনিস তারকা স্টেফি গ্রাফের নামানুসারে তাঁর এই নামকরণ করা হয়েছে। সাইনার মা উষা নেহওয়াল স্টেফির একজন বড় ভক্ত। আর তাঁর কন্যা কোর্টে অনেকটা স্টেফির মতো ভঙ্গিতেই ছুটোছুটি করেন, তাই সাইনার এই নাম দেওয়া হয়েছে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.