নয়াদিল্লি: শুক্রবার সকালে ভারতের প্রথম বিশ্বজয়ী অধিনায়কের শারীরীক অসুস্থার খবরে উৎকণ্ঠা ছড়িয়েছিল অনুরাগীদের মধ্যে। তবে কপিল দেব নিখাঞ্জ যে স্থিতিশীল রয়েছেন এবং তাঁকে দিনদু’য়েকের মধ্যে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে সেব্যাপারে এক বিবৃতি মারফৎ জানিয়েছিল ফর্টিস এসকর্টস হাসপাতাল।

‘হরিয়ানা হ্যারিকেনে’র শরীরে কোরোনারি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি নির্বিঘ্নেই করা সম্ভব হয়েছে বলেও জানানো হয়েছিল। তবুও উদ্বেগ এবং উৎকণ্ঠা কাটছিল না কিছুতেই। মরুশহর থেকে উদ্বিগ্ন বিরাট কোহলি কপিলের দ্রুত সুস্থতা কামনা করে টুইট করেন।

ভারতের প্রথম বিশ্বজয়ী অধিনায়কের আরোগ্য কামনা করে টুইট করেন মাস্টার-ব্লাস্টার সচিন রমেশ তেন্ডুলকর। সবমিলিয়ে গোটা ক্রিকেটজাতি যখন বেশ চিন্তায় দিন কাটাচ্ছে তখন সন্ধে পেরোতেই নিজের অফিসিয়াল টুইটার হ্যান্ডেলে একটি টুইট করলেন সকলের প্রিয় কপিল পাজি। তাঁর শারীরীক অসুস্থতার খবরে উদ্বিগ্ন অনুরাগীদের উদ্দেশ্যে বার্তা দিলেন নিজেই।

কপিল লিখলেন, ‘প্রত্যেককে ধন্যবাদ এত ভালোবাসা জন্য এবং আমার চিন্তা করার জন্য। তোমাদের শুভেচ্ছা সহযোগে আমি ভালোভাবেই সেরে উঠছি।’

বিশ্বজয়ী অধিনায়কের টুইটে স্বস্তির নিঃশ্বাস ফেলে আসমুদ্র-হিমাচল। এরপর শনিবার সকাল হতেই হাসপাতালের বিছানায় শুয়ে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করে কপিলের একটি ছবি ব্যাপক ভাইরাল হয় সোশ্যাল মিডিয়ায়।

যে ছবিতে দেখা যাচ্ছে হাসপাতালের বেডে শুয়েও কপিলের মুখে স্মিত সরল হাসি এবং একইসঙ্গে দু’হাতের বৃদ্ধাঙ্গুষ্ঠ দেখিয়ে অনুরাগীদের আশ্বস্ত করছেন আমি এখন সুস্থ এবং স্বাভাবিক। ছবিতে কপিলের বেডের পাশে তাঁর মেয়ে আমিয়াকেও দেখা যাচ্ছে।

কপিলের ৪৩৪ টেস্ট উইকেটের রেকর্ড ভেঙে নয়া নজির তৈরি করেছিলেন যিনি, সেই ক্যারিবিয়ান কিংবদন্তি কোর্টনি ওয়ালশ কপিলের টুইটে মন্তব্য করে লেখেন, ‘দ্রুত সেরে ওঠো চ্যাম্পিয়ন মাস্টার দেব।’

শুক্রবার নয়াদিল্লির ওখলা রোডের ফর্টিস এসকর্টস হাসপাতাল সূত্রে জানানো হয়, বুকে ব্যথা অনুভব করায় ২৩ অক্টোবর রাত ১টা নাগাদ ৬২ বছর বয়সী ভারতের প্রাক্তন অধিনায়ক কপিল দেব জরুরি বিভাগে ভর্তি হন। মধ্যরাতেই তাঁর শরীরে জরুরি ভিত্তিতে কোরোনারি অ্যাঞ্জিওপ্লাস্টি করেন কার্ডিওলজি বিভাগীয় প্রধান ড: অতুল মাথুর। আপাতত আইসিইউ’তে আছেন তিনি। তবে অনেকটাই স্থিতিশীল। দিনদু’য়েকের মধ্যে তাঁকে হাসপাতাল থেকে ছেড়ে দেওয়া হবে।

জেলবন্দি তথাকথিত অপরাধীদের আলোর জগতে ফিরিয়ে এনে নজির স্থাপন করেছেন। মুখোমুখি নৃত্যশিল্পী অলোকানন্দা রায়।