মথুরাপুর (দ.২৪ পরগনা): আকাশে কপ্টার চক্কর। আমফান পরবর্তী ভয়াবহ পরিস্থিতি খতিয়ে দেখতে প্রধানমন্ত্রী মোদী, মুখ্যমন্ত্রী মমতার ঝটিকা সফর। বিদ্ধস্ত দুই ২৪ পরগনা। বসিরহাট কলেজ থেকে প্রযুক্তি নির্ভর সরাসরি বার্তা দান প্রধানমন্ত্রীর। এসবের মাঝে সুপার সাইক্লোনে তছনছ আরও এক জেলা দ.২৪ পরগনার মথুরাপুরের বিভিন্ন স্থানে অক্লান্ত ত্রাণ সেবায় প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তি গাঙ্গুলী(গঙ্গোপাধ্যায়)। এই দুই ছবি রাজ্যে প্রবল আলোচিত।

সোশ্যাল মিডিয়ায় ভাইরাল হতে শুরু করেছে হেভিওয়েট সিপিআই(এম) নেতা কান্তিবাবুর ছবি। দেখা গিয়েছে আমফানে দুমড়ে মুচড়ে যাওয়া দ.২৪ পরগনার বিভিন্ন গ্রামাঞ্চলে বাইকে চড়েই পরিদর্শন করছেন কান্তি বাবু। রায়দিঘি তো বটেই পার্শ্ববর্তী বিভিন্ন এলাকা যখন প্রায় বিচ্ছিন্ন সেখানেও ঢুকে পড়েছেন তিনি। সামুদ্রিক ঘূর্ণিঝড় আমফানের তাণ্ডবে কলকাতা যেমন লণ্ডভণ্ড।

তেমনি বঙ্গোপসাগরের উপকূল এলাকার তিনটি জেলা উত্তর এবং দক্ষিণ ২৪ পরগনা, পূর্ব মেদিনীপুরেও করুণ দৃশ্য। সবমিলে ৮০ জন মৃত। তবে এই সংখ্যা বাড়বে বলেই আশঙ্কা। যথারীতি প্রাক্তন মন্ত্রী কান্তিবাবু হাজির ছিলেন আমফান আসার আগে ত্রাণ নিয়ে। সেইসঙ্গে সরাসরি চিঠি লিখেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় কে। প্রাক্তন সুন্দরবন উন্নয়নমন্ত্রীর যুক্তি ছিল, এই প্রাকৃতিক বিপর্যয়ের সময় তিনি সরকারের পাশে থেকে সাহায্য করতে চান।তাঁর অভিজ্ঞতাকে যেন সরকার ব্যবহার করে।

বর্ষীয়ান বাম নেতার অভিযোগ, তাঁর আবেদন অগ্রাহ্য করা হয়েছে। সাইক্লোনের পরেই কান্তিবাবু ফের নেমে পড়েছেন, রায়দিঘি সংলগ্ন এলাকার আমফান তাণ্ডব খতিয়ে দেখতে। দলীয় কর্মীর বাইক চড়েই ধুরছেন এলাকা। অভিযোগ, দুবারের স্থানীয় তৃণমূল বিধায়কের দেখা মেলেনি।

অথচ, ২০১১ থেকে দু বার হেরেও কান্তিবাবু থাকছেন এলাকাবাসীর সঙ্গেই। প্রাক্তন বাম মন্ত্রীর সাফ জবাব, বিপর্যয়ের সময় এইসব রাজনীতির কথা না আনাই ঠিক। সরকারে থাকলে আরও বেশি কাজ করা যায়।

এদিকে শুক্রবার হেলিকপ্টারে মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সঙ্গে বিপর্যস্ত এলাকা ঘুরে দেখেন মোদী। রাজ্যকে এক হাজার কোটি টাকা অর্থ সাহায্য ঘোষণা করেন।

কলকাতার 'গলি বয়'-এর বিশ্ব জয়ের গল্প