লখনউ- বলিউড গায়িকা কণিকা কাপুরের শরীরে পাওয়া গিয়েছে কোভিড ১৯। হাসপাতালে চিকিৎসাধীন তিনি। বিদেশ থেকে ফিরে কোয়ারেন্টাইনে না গিয়ে বিভিন্ন জায়গায় পার্টি করেছেন তিনি। আর তার জন্যই সেই পার্টি ও জমায়েতের মানুষের চিন্তা বেড়েছে। উত্তরপ্রদেশ সরকারও এই কারণেই কণিকার উপরে বেজায় চটে রয়েছেন। এমনকী গায়িকার বিরুদ্ধে খুনের মামলাও হতে পারে বলে জানা গিয়েছে।

এক সর্বভারতীয় সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদন থেকে জানা যাচ্ছে, লখনউ-এর যে জায়গাগুলিতে কণিকা পার্টি করেছেন ও থেকেছেন সেখানে যদি কারও করোনার জেরে মৃত্যু হয়, তা হলে গায়িকার বিরুদ্ধে খুনের মামলাও হতে পারে। এই মুহূর্তে তিনি সঞ্জয় গান্ধী পিজিআইএমএস-এর আইসোলেশনে চিকিৎসাধীন রয়েছেন। হাসপাতালে থেকেই হাসপাতালের পরিষেবা নিয়ে নানা প্রশ্ন তুলেছেন গায়িকা। আর তাই এবার হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ কণিকাকে তারকা সুলভ মেজাজ না দেখিয়ে সহযোগিতা করার জন্য বলেছে।

সঞ্জয় গান্ধী পিজিআইএমএস-এর ডিরেক্টর আরকে ধিমান এক সংবাদমাধ্যমের কাছে বলেছেন, হাসপাতালে কণিকা কাপুরকে সবচেয়ে ভালো পরিষেবা দেওয়ার চেষ্টা করা হচ্ছে। তারকা সুলভ মেজাজ না দেখিয়ে একজন রোগীর মতোই তাঁর সহযোগিতা করা উচিত। তাঁকে গ্লুটেন ফ্রি খাবার দেওয়া হচ্ছে। আমাদের সঙ্গে ওকে সহযোগিতা করতে হবে। ১০ দিন আগে বিদেশ থেকে ফিরে ছিলেন কণিকা।

কিন্তু কিন্তু উপসর্গ শুরু হয় মাত্র চারদিন আগে থেকে। কনিকা বলছেন, “আমি দশ দিন আগে ফিরি। তখন এয়ারপোর্টে স্ক্যানিংয়ের মাধ্যমে পরীক্ষা করা হয় এবং আমি বাড়ি চলে আসি। কিন্তু বিগত চার দিন ধরে আমি ফ্লু এর উপসর্গ লক্ষ্য করছিলাম। এরপরে পরীক্ষার মাধ্যমে জানা যায় আমার শরীরে পজিটিভ কোভিড ১৯ রয়েছে।

এইরকম অবস্থায় আমি বলবো সবাইকে সেলফ আইসোলেশনে থাকতে এবং কোনও রকমের উপসর্গ দেখা গেলেই তা পরীক্ষা করতে। পুলিশ সূত্রে খবর, গত ১১ মার্চ লখনউ আসেন তিনি। তখনই তাঁকে কোয়ারেন্টাইনে যাওয়ার নির্দেশ দেওয়া হয়। কিন্তু সেই সমস্ত তোয়াক্কা না করে উনি বেশ কয়েকটি সামাজিক জমায়েতে উপস্থিত ছিলেন। শহরের তাজ মহল হোটেলেও ছিলেন তিনি।

পপ্রশ্ন অনেক: নবম পর্ব

Tree-bute: আমফানের তাণ্ডবের পর কলকাতা শহরে শতাধিক গাছ বাঁচাল যারা