কলকাতা: জে এন ইউ ছাত্রনেত্রী ঐশী ঘোষেদের মতো ছাত্র-ছাত্রীদের এবার বাংলার মুখ হিসেবেই দেখতে চান কানাহাইয়া কুমার। তাঁর মতে, এই তরুণ প্রজন্মকে এগিয়ে আসতে হবে বাংলায় নেতৃত্ব দেবার জন্য। সম্প্রতি সিএএ, এনআরসি বিরোধী আন্দোলনের মুখ হয়ে উঠেছেন ঐশী ঘোষ।

তাঁর বিজেপি সঙ্ঘ বিরোধী আন্দোলন জেএনইউ-এর ক্যাম্পাসের বাইরেও ছড়িয়ে পড়েছে।এবার ঐশীর মত ছাত্র-ছাত্রীদের বাংলায় আন্দোলনের মুখ হিসেবে দেখতে চাইলেন জেএনইউ-এর প্রাক্তনী কানাহাইয়া কুমার।

বৃহস্পতিবার বিধাননগরের বিদ্যুৎ ভবনে সিপিআই আয়োজিত ইন্দ্রজিৎ গুপ্ত শতবর্ষ উৎযাপন উপলক্ষে এক সভায় হাজির হয়েছিলেন কানাহাইয়াকুমার। ওই সভায় আলোচনার বিষয় ছিল ‘দেশ বাঁচাও সংবিধান বাঁচাও এনআরসি হটাও’।

ওই সভায় সিপিআইএম (লিবারেশন) -এর সাধারণ সম্পাদক দীপঙ্কর ভট্টাচার্য, সিপিএম নেতা মহম্মদ সেলিমের পাশাপাশি হাজির ছিলেন কংগ্রেসের সোমেন মিত্র, প্রদীপ ভট্টাচার্য্যেরা। এরা সকলেই বিজেপি সরকারের বিরুদ্ধে জোট বদ্ধ আন্দোলনের প্রয়োজনীয়তার কথা অনুভব করেন।সম্প্রতি বামেদের ডাকা দেশজুড়ে বনধে কংগ্রেসকেও সামিল হতে দেখা গিয়েছিল৷

এদিন দীপঙ্কর ভট্টাচার্য এনপিআর-এর বিরোধিতার কারণ হিসেবে যুক্তি দেখান, এর মাধ্যমে কোন নাগরিককে সন্দেহজনক আখ্যা দিয়ে সরকার এক মারাত্মক ক্ষমতা পেয়ে যাবে। অন্যদিকে সেলিম কানাইয়াকুমারকে পাশে নিয়ে বর্তমান ভারতের পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে মনে করিয়ে দেন, মহাভারতেও কংসের অন্যায় ও পাপের ঘড়া ভরে গেলে কানাইয়ার আবির্ভাব ও ভূমিকার কথা৷

এদিকে এদিন পরে আবার ব্যারাকপুরেও কানাইয়াকুমার সেলিম এবং দীপঙ্কর ভট্টাচার্যের একটি সভা ছিল৷তাদের সেই সভা পণ্ড করতে বিজেপি কিছু সমর্থক পাল্টা স্লোগান পোস্টার মারতে থাকে বলে অভিযোগ ওঠে৷সেই অভিযোগে আটজনকে পুলিশ গ্রেফতার করে।