ক্যানবেরা : অস্ট্রেলিয়া ক্যাঙ্গারুর দেশ। সেখানকার জাতীয় পশু এই প্রাণী। ক্রিকেট দলের টুপিতেও দেখা যায় ক্যঙ্গারুর ছবি। এমন দেশে কত বছর আগে থেকে এই প্রাণীর বসবাস শুরু হয়েছে তা এখনও বলা যায়নি। তবে সম্প্রতি একটি পাথরের উপর একটি আঁকা একটা ছোট্ট ধারনা তৈরি করেছে। তবে মূল ধারনা যেটা তৈরি করছে সেটা অন্য। বলা হচ্ছে এটাই সবথেকে পুরনো আদিম প্রস্ত্রর চিত্র।

প্রস্তর যুগে মানুষ পাথরের উপর আঁকত। পাথরকে নানাভাবে ব্যাবহার করেছে। এবং এই পাথরে পাথরে ঠোকাঠুকিতেই প্রথম আগুনের ব্যাবহার শেখে মানুষ এবং ক্রমে এগিয়ে সভ্য হওয়ার পথে। এমন একটি পাথরের উপরেই পাওয়া গিয়েছে ক্যাঙ্গারুর ছবি। যেমন এই যে ছবিটি পাওয়া গিয়েছে সেই পাথরটি বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেন। সেখান থেকেই জানা গিয়েছে ১৭হাজার বছরের পুরনো ওই পাথর।

মনে করা হচ্ছে এই ছবিটি ১৩ থেকে ১৭ হাজার বছর আগে আঁকা হয়েছিল। অর্থাৎ এ থেকেই গবেষকরা একটা ধারনা দিচ্ছেন যে ১৭হাজার বছর আগে ক্যঙ্গারুর অস্তিত্ব ছিল অস্ট্রেলিয়ায় তো ছিলই তার সঙ্গে এটাও বলা হচ্ছে যে এটাই সব থেকে পুরনো প্রস্তর চিত্র , যার বয়স প্রায় ১৭হাজার বছর। পশ্চিম অস্ট্রেলিয়ার কিম্বারলেতে এই প্রস্তর চিত্রের খোঁজ মেলে।

ওই অঞ্চলে ১৬টি এমন আঁকা পাওয়া গিয়েছে। সেখানে ২৭টি মাটির প্রলেপ দিয়ে বিজ্ঞানীরা পরীক্ষা করেন। এরপর এমন আটটি বড় বড় গুহা থেকে এমন সব আঁকা পাওয়া যায়। এখানে সাপ , বিভিন্ন প্রজাতির সরীসৃপ, ওয়ালাবি, কক্কাসের ছবিও পাওয়া গিয়েছে।

প্রাগৈতিহাসিক কালে মানুষেরা প্রায় ৪০,০০০ হাজার বছর আগে (আনুমানিক ৩৮,০০০ খ্রীস্টপূর্বাব্দ) অঙ্কন করেছিল। এশিয়া ও ইউরোপে এই গুহা চিত্রগুলি পাওয়া গিয়েছে। পুরাতন প্রস্তরযুগের এই সকল চিত্রকর্ম ঠিক কি কারণে অঙ্কন করা হয়েছিল তা জানা যায়নি। সংগৃহিত প্রমাণাদি থেকে ইঙ্গিত পাওয়া যায় যে নিছক গৃহসজ্জার জন্য এই চিত্রগুলো অঙ্কন করা হয়নি। কারণ, এই গুহাগুলি বা তার আশেপাশে মানুষের কোন বসতি থাকার প্রমাণ পাওয়া যায়নি।

তাছাড়া প্রায়ই সব গুহাই খুব দুর্গম এলাকায় অবস্থিত। কিছু মতবাদ অনুযায়ী, গুহাচিত্র দ্বারা প্রগৈতিহাসিক মানুষেরা একে অন্যের সাথে যোগাযোগ করত। যদিও অনেকে আবার মনে করেন যে এগুলো সম্পূর্ণ ধর্মীয় বা আনুষ্ঠানিকতার কাজে ব্যবহৃত হত। প্রায় সবগুলো চিত্রই একই রকম যেখানে পশু হচ্ছে প্রধান উপজিব্য বিষয়। চিত্রকর্মের বিষয় হিসাবে মানুষ এসেছে মূলতঃ তার হাতের ছাপ এর মধ্য দিয়ে। মানুষের হাতে রঙ মেখে গুহার দেয়ালে এই হাতের ছাপগুলো তৈরী করা হয়েছিল।

ফ্রান্স ও স্পেনে এখন পর্যন্ত প্রায় ৩৪০ এর কাছাকাছি গুহা আবিষ্কৃত হয়েছে যেগুলোতে প্রাগৈতিহাসিক কালে অঙ্কিত চিত্র পাওয়া গেছে। প্রাথমিকভাবে, চিত্রগুলোর বয়স নিয়ে বিতর্ক আছে, কারণ, রেডিওকার্বন ডেটিং এর মতো পদ্ধতি অনেক সময় ভুল তথ্য প্রদান করতে পারে।

বিশেষ করে যখন পুরাতন নমুনার সাথে নতুন নমুনা মিশে যাবার সম্ভবনা থাকে,বহু বছরের জঞ্জালে গুহাগুলো ভর্তি হওয়ায় কার্বন পরীক্ষার জন্য প্রয়োজনীয় নমুনা সংগ্রহ করা দুরূহ। কিন্তু ক্রমেই আধুনিক প্রযুক্তির সাহায্যে গুহাচিত্রগুলোতে ব্যবহৃত রঙ ও দেয়াল ও ছাদে মশালের কালির দাগ থেকে তাদের বয়স নির্ধারণ সম্ভব হয়েছে। এছাড়া ছবির বিষয়বস্তুও এর বয়সকাল নির্ধারণ করে। উদাহরণ স্বরূপ, স্পেনের ‘Cueva de las Monedas’ গুহায় প্রাপ্ত রেইন ডিয়ারের ছবি আঁকা হয়েছিল সর্বশেষ বরফ যুগে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।