kangana rawat
কঙ্গনা রাওয়াত

মুম্বই : বলিউডের এই মুহূর্তে কন্ট্রোভার্সি কুইন রাখি সাওয়ান্ত নন। বরং পদ্মশ্রী সম্মানে ভূষিত কঙ্গনা রানাওয়াত। কখনো তিনি আন্দোলনকারী কৃষকদের ‘জঙ্গী’ বলে তুলনা করেছেন, আবার কখনো তিনি বিরোধী রাজনৈতিক দলের মতাদর্শকে নিন্দনীয় ভাষায় সমালোচনা করেছেন। এ নিয়ে বহুবার টুইটারে সমালোচনার ঝড় উঠেছে। অভিনেত্রীর নানা ধরনের ভিডিও এবং পোস্ট বিতর্ক তৈরি করেছে। এমন অভিযোগও উঠেছে যে তিনি টুইটের মাধ্যমে ভারতের সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির ধারা ব্যাহত করতে চাইছেন।

একুশের বিধানসভা নির্বাচনে পশ্চিমবঙ্গে তৃণমূল সরকার ক্ষমতায় আসার পর কঙ্গনা মন্তব্য করেছিলেন, “বাংলাদেশি আর রোহিঙ্গারা মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সবচেয়ে বড় শক্তি… যা ট্রেন্ড দেখছি তাতে বাংলায় আর হিন্দুরা সংখ্যাগরিষ্ঠ নেই এবং তথ্য অনুযায়ী গোটা ভারতের অন্য এলাকার তুলনায় বাংলার মুসলিমরা সবচেয়ে গরীব আর বঞ্চিত। ভাল! আরেকটা কাশ্মীর তৈরি হচ্ছে।” এখানেই থেমে যাননি এরপরেও নানা কটু মন্তব্যের মাধ্যমে তিনি মাননীয়া মুখ্যমন্ত্রী মমতা ব্যানার্জির উদ্দেশ্যে তোপ দেগেছেন। মুখ্যমন্ত্রীকে দানবের সঙ্গে তুলনা করেছেন তিনি। পাশাপাশি এও বলেছেন, “মোদীজি আপনার বিরাট রূপ দেখান।”

মমতাকে ব্যঙ্গ করে শুভেচ্ছাও জানান কঙ্গনা। তাঁকে ‘রাবণ’ বলে কটাক্ষ করেন। বিজেপি কর্মীদের খুন করার অভিযোগ তুলে তিনি মমতাকে ‘গুন্ডাগিরি’ চালানোর অভিযোগে অভিযুক্তও করেছেন।

কঙ্গনার এইসব টুইটের বিরুদ্ধেই পুলিশের কাছে দায়ের হয় অভিযোগ। অভিযোগ যায় টুইটারের কাছেও। আর তারপরই কঙ্গনার টুইটার অ্যাকাউন্ট পাকাপাকিভাবে বন্ধ করে দেওয়া হয়। এ প্রসঙ্গে টুইটারের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, “আমরা প্রথম থেকেই স্পষ্ট জানিয়েছি অফলাইনে মানুষের ক্ষতি করতে পারে এমন কোনো ধরনের আচরণ বা ব্যবহারের বিরুদ্ধে আমরা দৃঢ় পদক্ষেপ নেব। উল্লেখিত অ্যাকাউন্টটি স্থায়ীভাবে সাসপেন্ড করা হবে। বারবার টুইটারের বিধি লংঘন করার জন্য। হিংসা মূলক আচরণ এবং অবমাননাকর আচরণের জন্য আমরা বাধ্য হচ্ছি এই টুইটার একাউন্ট টি সম্পূর্ণ রকম ভাবে সাসপেন্ড করে দিতে। টুইটার নিজের দায়িত্ব এবং কর্তব্য বোধের প্রতি ন্যায়পরায়ণ থেকে প্রত্যেকের জন্যই একি বিধি মেনে চলে।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.