kangana rawat
কঙ্গনা রাওয়াত

মুম্বই : এক অঙ্গে তাঁর অনেক রূপ। ঘড়ি থেকে ঘোড়া, ফুটবল টু মঙ্গল সব বিষয়ে তাঁর অগাধ জ্ঞান। ভারতের অর্থনীতি হোক বা নাসার নতুন কোন মহাকাশ অভিযান সব বিষয়েই তাঁর মতামত দিতেই হবে। তবে এমন তো নয় যে সব ব্যাপারে তিনি যথোপযুক্ত যুক্তি তথ্য এই সমস্ত সম্বলিত বক্তব্য দেন। কিছু সময় তাঁর বক্তব্য নিছকই মনে হয় তাঁর নিজস্ব ঘরের ল্যাবরেটরিতে তৈরি করা এক অন্য জগতের মহা বৈজ্ঞানিক সূত্র ধরে বানানো। আর এই অভিনেত্রী তথা মা সরস্বতীর নাম হল কঙ্গনা রানাওয়াত।

এবারে কঙ্গনা রানাওয়াত এর নতুন বৈজ্ঞানিক তথ্য শুনে হতবাক নেটিজেনরা। কঙ্গনার কথায় উঠে এলো কোভিড পরিস্থিতিতে যারা অক্সিজেন লেভেলের অভাব বোধ করছেন তাঁদের স্বাস্থ্যের কথা ভেবে,গাছ লাগানো হবে আল্টিমেট সলিউশন। এছাড়া বৈদিক ডায়েট ফলো করে প্রাকৃতিক জীবনযাপন করে নাকি এই সমস্যার সমাধান হবে।

কঙ্গনা রানাওয়াতের টুইটার থেকে:
‘Anybody who is feeling low levels of oxygen do try this please. Planting trees is the permanent solution, if you can’t then don’t cut them either, recycle your clothes, eat Vedic diet, live organic life, this is a temporary solution, for now this should help, Jai Shri Ram’

আর কঙ্গনার এই তথ্য দেখে তাঁকে কটাক্ষ করেছে অনেক নেটিজেনরাই। কেউ বলেছেন তিনি প্রিভিলেজড তাই তাঁর পক্ষে এইসব বলা খুব সহজ, আবার কেউ বলেছে কঙ্গনা সূত্র মানলে চিকিৎসকেরা আইসিইউতে অক্সিজেন সিলিন্ডার নাম বসিয়ে গাছ পুঁততে বসে যেতেন।

এরপরেও নানান ধরনের টুইট তিনি করেছেন এ বিষয়ে। তবে পরের দিন আলোচনা ঘুরে যায় অন্যদিকে। আর এবার কঙ্গনা রানাওয়াত এর টুইটার এর আলোচ্য বিষয় হল জন্মনিয়ন্ত্রণ। তাই ভারতের জনসংখ্যা সীমাবদ্ধ করতে কঠোর আইন তৈরির দাবি জানিয়েছেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাওয়াত। সোশ্যাল মিডিয়ায় তিনি বলেন, ”ভোটের রাজনীতিকে একদিকে রাখা উচিত। আর আজ এই সংকটের দিকে তাকিয়ে অন্তত তৃতীয় সন্তানের জরিমানা বা কারাদণ্ড হওয়া উচিত। যদিও এই ইস্যু নিয়ে কথা বলার জন্য ইন্দিরা গান্ধীকে প্রাণ পর্যন্ত দিতে হয়েছিল কিন্তু আজকের পরিস্থিতির কথা মাথায় রেখে ভারতবর্ষে তৃতীয় সন্তান হলে জরিমানা বা কারাদণ্ড দেওয়া উচিত” । তবে একথা বলার পরেই অভিনেত্রী সালোনি গৌর, কঙ্গনাকে কটাক্ষ করে বলেছেন তাঁর নিজেরই দুই ভাইবোন আছে। অবশ্য সে কথা বলতেই কঙ্গনা স্বভাব সিদ্ধ ভঙ্গিতে, গৌরকে ছোট করে কথা বলা শুরু করেন। তিনি গৌরের উদ্দেশ্যে লেখেন,’না বুঝে এই কঠিন বিষয় নিয়ে অযথা কথা বলছেন তিনি।যা অত্যন্ত বিরক্তিকর।
এবার দেখার এই টুইট যুদ্ধ কোথায় থামে।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.