মুম্বই: বলিউডে অনেকেই মাদকাশক্ত। বলিউডে যদি নারকোটিক্স ব্যুরো কন্ট্রোল তদন্ত করে তাহলে বহু অভিনেতাই জেলে যাবেন। এমনই দাবি করলেন অভিনেত্রী কঙ্গনা রানাউত। সুশান্ত সিং রাজপুতের মামলায় ড্রাগের যোগ পাওয়ার পর থেকেই নতুন করে বিতর্ক শুরু হয়েছে।

জানা গিয়েছে রিয়া চক্রবর্তী ড্রাগ ব্যবসার সঙ্গে জড়িত ছিলেন। এমনকি তিনি নিজেও ড্রাগ নিতেন। আর তাই নারকোটিক্স ব্যুরো কন্ট্রোল ফৌজদারি মামলা করেছে রিয়ার বিরুদ্ধে। আর তারপরই কঙ্গনা এই মন্তব্য করেছেন।

কঙ্গনা একটি টুইট করেছেন, “নারকোটিক্স ব্যুরো কন্ট্রোল যদি বলিউডে ঢোকে, তাহলে প্রথম সারির সব তারকারা জেলের ভিতর থাকবেন। সবার রক্ত পরীক্ষা করা গেলেই বিস্ফোরক তথ্য বেরিয়ে আসবে। আশা করছি স্বচ্ছ ভারত মিশনে প্রধানমন্ত্রী বলিউডের এই আবর্জনাও দূর করবেন।”

কঙ্গনা রানাউতের এই মন্তব্য মুহূর্তে ভাইরাল হয়। সুশান্ত সিং রাজপুতের তদন্তে এই ড্রাগ অ্যাঙ্গল বড় ভূমিকা নিয়েছে। রিয়া চক্রবর্তীর হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট খতিয়ে দেখা গিয়েছে যে রিয়া ও তাঁর ভাই সৌভিক চক্রবর্তী, এবং স্যামুয়েল মিরান্ডা সহ বেশ কয়েকজন ড্রাগ নিয়ে কথাবার্তা বলেছেন। এই তদন্তের উপরে ভিত্তি করেই রিয়ার বিরুদ্ধে ফৌজদারি মামলা করেছে এনসিবি।

মনে করা হচ্ছে যে সুশান্ত সিং রাজপুতকেও ড্রাগ দেওয়া হয়েছিল। বিজনেস ম্যানেজার শ্রুতি মোদি এবং রিয়া চক্রবর্তীর একটি হোয়াটসঅ্যাপ চ্যাট থেকে বোঝা যাচ্ছে যে সুশান্ত দৃঢ় প্রতিজ্ঞ ছিলেন যে তিনি মারিজুয়ানা বা গাঁজা ছেড়ে দেবেন। এই চ্যাট থেকেই জানা যায় যে নিয়মিত ওষুধ খেয়েও সুশান্ত কিছুতেই সুস্থ হচ্ছিলেন না। তাই তার আরও চিকিৎসার প্রয়োজন।

আরেকটি চ্যাট থেকে জানা যাচ্ছে বেশ কিছু বেআইনি মাদক ব্যবহার করতেন রিয়া চক্রবর্তী। তার মধ্যে রয়েছে গাঁজা, চরস এবং এমডিএমএ। সুশান্তকে ড্রাগ দেওয়ার বিষয়ে একজনের থেকে পরামর্শ নিয়েছিলেন রিয়া। যদিও রিয়া চক্রবর্তীর আইনজীবী সতীশ মনশিন্দে এই সব অভিযোগ অস্বীকার করেছেন। তার প্রকাশ করা বিবৃতি অনুযায়ী রিয়া চক্রবর্তী জীবনে কোনদিন কোন রকমের ড্রাগ নেননি।

স্বামীর সঙ্গে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে বস্ত্র ব্যবসাকে অন্যমাত্রা দিয়েছেন।'প্রশ্ন অনেকে'-এ মুখোমুখি দশভূজা স্বর্ণালী কাঞ্জিলাল I