নয়াদিল্লি: বিশ্বকাপের মঞ্চে ড্রেসিংরুম শেয়ার করলেও আইপিএলে এরা একে অপরের প্রতিদ্বন্দ্বী৷সেখানে কেউ কাউকে ছেড়ে কথা বলবেন না৷ তেমনই হুঁশিয়ারি দিয়ে রাখলেন নিউজিল্যান্ড থেকে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপ জিতে ফেরা ভারতীয় দলের দুই সতীর্থ মনজ্যোৎ কালরা ও কমলেশ নাগরকোটি৷

নিউজিল্যান্ডে অনূর্ধ্ব-১৯ বিশ্বকাপে ভারতের হয়ে সবচেয়ে বেশি উইকেট নিয়েছেন অনুকুল রায়৷ কিন্তু দুর্দান্ত পেস বোলিং জন্য বিশ্বকাপের শুরু থেকেই চর্চায় ছিলেন রাজস্থানের পেসার নাগরকোটি৷ অপরাজিত থেকে পৃথ্বীদের বিশ্বকাপ জয়ের পিছেনে নাগরকোটির ঘণ্টায় ১৪০ কিলোমিটার বেগে করা ডেলিভারিগুলির অসামান্য অবদান রয়েছে৷

বিশ্বকাপ চলাকালীন ২০১৮ আইপিএল নিলামে কলকাতা নাইটরাইডার্স ৩.৫ কোটি টাকায় কিনেছে কমলেশ নাগরকোটিকে৷ বিশ্বকাপ দলে তাঁর সতীর্থ ব্যাটসম্যান মনজ্যোৎ কালরাকে নিলামে কিনেছে দিল্লি ডেয়ারডেভিলস৷ বিশ্বকাপ দলের সতীর্থ আইপিএলে প্রতিদ্বন্দ্বী হওয়ার পর নাগরকোটিকে মজারছলে হুঁশিয়ারি দেন মনজ্যোৎ৷নাইট খেলোয়াড় বলেন, ‘মনজ্যোৎ আমাকে বলেছে বচকে রহনা, মারুঙ্গা মেরে সামনে আয়া তো৷ আমরা একে অন্যের বিরুদ্ধে প্রচুর ম্যাচ খেলেছি৷ তাই দুজনেই দুজনের খেলাটা জানি৷’

বিশ্বকাপ জয়ের রেসিপি হিসেবে নিজেদের খেলার সঙ্গে রাহুল স্যারের কড়া গাইডেন্সের প্রশংসা করলেন নাগরকোটি৷ ভারতের উদীয়মান পেসার জানান, ‘কুইন্সল্যান্ডে প্রচুর অ্যাডভেঞ্চারাস স্পোর্টস ছিল কিন্তু রাহুল স্যারের কড়া নির্দেশ ছিল যাতে আমরা কেউ বিশ্বকাপের আগে কোনওরকম ঝুঁকি না নিই৷মাঝে মাঝে ইচ্ছে হলেও আমরা বাইরে ঘোরা থেকে বিরত থাকতাম৷ জানতাম স্যার যখন বলেছেন কিছু ভেবেই বলেছেন৷’