ঢাকা:  আজ শুক্রবার রাতেই জামায়াতে ইসলামীর সিনিয়র সহকারী সেক্রেটারি জেনারেল মুহাম্মদ কামারুজ্জামানের ফাঁসি কার্যকর করা হবে। ইতিমধ্যে ঢাকা কেন্দ্রীয় কারাগারের ভেতরে ও বাইরে জোর নিরাপত্তার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
দেশের কেন্দ্রীয় কারাগারে গত কয়েকদিন আগেই ফাঁসির যাবতীয় প্রস্তুতি শেষ হয়েছিল। ফাঁসি কার্যকরের জন্য ইতিমধ্যে ৩জন ফাঁসুড়েকে প্রস্তুত করে রেখেছে কারা কর্তৃপক্ষ। সন্ধ্যার পর কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে অতিরিক্ত পুলিশ র‌ব মোতায়েন করা হয়েছে। আনা হয়েছে অ্যাম্বুলেন্সও। লালবাগ জোনের পুলিশের ডিসি ও দুজন চিকিৎসক কেন্দ্রীয় কারাগারে ইতিমধ্যে পৌঁছেছেন। রয়েছেন উচ্চপদস্থ আধিকারিকরাও।
অন্যদিকে, কামারুজ্জামানের পরিবারও শেষ সাক্ষাতের জন্য কেন্দ্রীয় কারাগারের সামনে পৌঁছে গিয়েছেন।
শুক্রবার সকালে দুজন ম্যাজিস্ট্রেট কেন্দ্রীয় কারাগারে গিয়ে কামারুজ্জামানের সাথে সাক্ষাত করে রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণ ভিক্ষা চাওয়ার ব্যাপারে কামারুজ্জামানের মতামত জানতে চান। দীর্ঘক্ষণ পর দুজনই কারাগার থেকে বেরিয়ে যান।
এরপর দুপুরে স্বরাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী আসাদুজ্জামান খান কামাল সাংবাদিকদের জানান, রাষ্ট্রপতির কাছে প্রাণভিক্ষা চাওয়ার বিষয়ে ভাবার জন্য আরও সময় চেয়েছেন কামারুজ্জামান। তাকে দেওয়া হয়েছে। তিনি জানিয়েছেন, সময় তাকে বেশি দেওয়া হবে না। ম্যাজিস্ট্রেটরা তাকে দ্রুত সিদ্ধান্ত জানাতে বলেছেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গিয়েছেন, ফাঁসির দণ্ডপ্রাপ্ত আসামী কামারুজ্জামান কারা কর্তৃপক্ষের কাছে তার শেষ দুটি ইচ্ছার কথা ব্যক্ত করেছেন। এগুলি হল, তাকে ফাঁসি দেওয়া হলে যেন শুক্রবার দেওয়া হয়। আর ফাঁসির তাঁর মৃতদেহ যেন পরিবারের কাছে হস্তান্তর করা হয়। তাই ইচ্ছা অনুসারেই আজ শুক্রবার তাঁর ফাঁসি কার্যকর করতে এই মুহূর্তে প্রস্তুতি নিয়েছে কারা কর্তৃপক্ষ।