প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর: রাজ্য সরকারের বড় সিদ্ধান্ত, উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে অত্যাধুনিক ৫০০ বেডের করোনা হাসপাতাল গড়ছে রাজ্য। দ্রুত করোনা হাসপাতাল হিসেবে এই হাসপাতালে চিকিৎসা পরিষেবা মিলবে কোভিড আক্রান্তদের। এই খবর জানিয়েছেন পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক নির্মল ঘোষ। করোনা ইস্যুতে রাজ্য সরকারের অবশ্যই বড় সিদ্ধান্ত।

এবার উত্তর চব্বিশ পরগনার কামারহাটি সাগর দত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে কোভিড ১৯ হাসপাতাল করা হচ্ছে। দ্রুত এই হাসপাতাল কোভিড হাসপাতালে পরিণত হবে। ইতিমধ্যেই রাজ্য স্বাস্থ্য দফতর থেকে অনুমোদন পাওয়া গিয়েছে। বর্তমানে প্রাথমিক ভাবে ২০০ করোনা আক্রান্ত রোগীর চিকিৎসা করা হবে এই হাসপাতালে, এমনটাই প্রশাসন সূত্রে জানা গিয়েছে। আগামী দিনে সেই সংখ্যা বাড়িয়ে ৫০০ করার পরিকল্পনা রয়েছে রাজ্য সরকারের।

উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল করোনা হাসপাতাল হিসেবে চিকিৎসা পরিষেবা দেওয়া শুরু করলে কলকাতা ও উত্তর ২৪ পরগনার উত্তর শহরতলীর মানুষ ভীষন উপকৃত হবে, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। উল্লেখ্য, চতুর্থ দফা লক ডাউনের শেষে জন জীবন স্বাভাবিক করার চেষ্টা করছে রাজ্য সরকার। তবে করোনা আক্রান্তের সংখ্যাও লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে রাজ্যে।

এই পরিস্থিতিতে কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে করোনা হাসপাতাল হিসেবে গড়ে তোলার রাজ্য সরকারের এই সিদ্ধান্ত যথেষ্ট সময় উপযোগী বলে মনে করছে রাজ্যের চিকিৎসক মহল।

পানিহাটির তৃণমূল বিধায়ক তথা উত্তর ২৪ পরগনা জেলা তৃণমূল কংগ্রেস পর্যবেক্ষক নির্মল ঘোষ বলেন, “উত্তর ২৪ পরগনার কামারহাটি সাগরদত্ত মেডিকেল কলেজ হাসপাতালকে অত্যাধুনিক ৫০০ বেডের করোনা হাসপাতাল তৈরি করবে রাজ্য সরকার। যাতে দ্রুত মানুষ এই চিকিৎসা পরিষেবা পান সেই কারণেই এই সিদ্ধান্ত বলে জানিয়েছেন নির্মল ঘোষ। রাজ্য সরকারের স্বাস্থ্য দফতর এই সিদ্ধান্ত নিয়েছে বলে জানিয়েছেন তিনি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.