ওয়াশিংটন: প্রথম ভ্যাকসিন নেওয়ার ২৭ দিন পর দ্বিতীয় ডোজের ভ্যাকসিন নিলেন নতুন মার্কিন ভাইস প্রেসিডেন্ট কমলা হ্যারিস। মঙ্গলবার (মার্কিন সময়ানুযায়ী) লাইভ টিভি অনুষ্ঠানে ভ্যাকসিন নেন এই ভারতীয় বংশোদ্ভূত মহিলা। সাধারণ মার্কিন নাগরিকদেরকেও এই পদ্ধতিতে বিশ্বাস করার অনুরোধ করেছেন তিনি।

মঙ্গলবার হ্যারিস মার্কিন নাগরিকদের বলেন “পালা এলে সবাইকে ভ্যাকসিন নেওয়ার জন্য অনুরোধ করছি। এটি আপনাদের জীবন বাঁচাবে।”

আরও পড়ুন – কুলগামে সেনার উপর অতর্কিতে হামলা জঙ্গিদের, ব্যাপক উত্তেজনা

উল্লেখ্য মার্কিন সময় অনুযায়ী ডিসেম্বরের২৯ তারিখ কমলা হ্যারিস এই ভ্যাকসিনের প্রথম ডোজ নিয়েছিলেন। মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র গত সপ্তাহে প্রতিদিন প্রায় ১ মিলিয়নেরও বেশি ডোজ দেওয়া হচ্ছে। রাষ্ট্রপতি জো বাইডেন জানিয়েছেন, তাঁর প্রশাসনের লক্ষ্য হ’ল ১০০ দিনের মধ্যে ১০০ মিলিয়ন আমেরিকানকে টিকা দেওয়া।

লাইভ সম্প্রসারণে দেখা গিয়েছে, একটি মাস্ক পড়ে এই ভ্যাকসিন নিলেন কমলা হ্যারিস। প্রথমবার ভ্যাকসিন নেওয়ার পরে কমলা হ্যারিস জানিয়েছিলেন, ”খুব সহজ তো! তেমন কোনও ব্যাথা লাগল না।” এরপর তিনি সহাস্যে নার্সকে ধন্যবাদও জানান।

উল্লেখ্য, এক ডোজ করোনা ভ্যাকসিন নিয়েছেন নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্ট জো বাইডেনও। সেই প্রোগ্রামও গোটা আমেরিকাবাসীকে আশ্বস্ত করার লক্ষ্যে প্রোগ্রামটি সরাসরি লাইভ টিভিতে সম্প্রচার করা হয়। নতুন মার্কিন প্রেসিডেন্টের বয়স ৭৮ বছর।

আরও পড়ুন – ১৯০ বছর আগের বাংলার কৃষক নেতার আন্দোলন কাঁপিয়ে দিয়েছিল সরকারকে

তবে শুধু বাইডেন বা কমলা হ্যারিস না। বিল ক্লিন্টন, জর্জ বুশ ও বারাক ওবামা-এরা প্রত্যেকেই জানিয়েছেন করোনার টিকা নিতে তাঁদের কোনও আপত্তি নেই। তবে প্রাক্তন রাষ্ট্রপতি ট্রাম্প এখনও এই টিকা নেননি।তিনি আদৌ টিকা নেবে কিনা তা জানা যায়নি।

দেশব্যাপী কোভিড-১৯ এর জেরে দেখা গিয়েছে মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গদের মধ্যে তুলনামূলকভাবে উচ্চ হারে মৃত্যু এবং অসুস্থতা দেখা গেছে। এছাড়া বিভিন্ন পোল থেকে উঠে এসেছে করোনা ভ্যাকসিন নেওয়ার ক্ষেত্রেও সবচেয়ে অনিচ্ছুক মার্কিন কৃষ্ণাঙ্গরাই। তাঁদের টিকা দিতে রাজি করানোই এখন বাইডেন প্রশাসনের চ্যালেঞ্জ।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।