ফাইল ছবি

স্টাফ রিপোর্টার, শ্রীরামপুর: দলের কর্মীদের উজ্জীবিত ফের বেফাঁস মন্তব্য করে বিতর্কে জড়ালেন শ্রীরামপুরের তৃণমূল সাংসদ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়। শনিবার জাঙ্গিপাড়ায় জনসভা করে নেতাকর্মীদের উদ্দেশে বললেন, “যদি বিজেপি আপনার হাত-পা ভাঙে তাহলে আপনারাও বিজেপির হাত-পা ভেঙে দিন। নাহলে জলে ডুবে মরুন।”

এদিন এক পঞ্চায়েতের নেতাকে মঞ্চে ডেকে নেন কল্যাণবাবু। তাঁকে বলেন, “কী আপনি ভয় পাচ্ছেন? ভয় পেলে ওই যে ওখানে জল আছে ওই জলে ডুবে মরে যান। না পারলে ঘরে চলে যান। অনেক ছেলে তৈরি আছে। তাদের নিয়ে লড়াই চলবে।” শোলের সংলাপ উদ্ধৃত করে কল্যাণ বলেন, “জো ডর গয়া ও মর গয়া!” উল্লেখ্য, শ্রীরামপুর থেকে কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় তিনবারের সাংসদ হলেও রাজনৈতিক পর্যবেক্ষকদের মতে, কল্যানবাবু বুঝতে পারছেন দলের অন্দরে চোরাস্রোত বইছে৷ তাই কর্মীদের উজ্জীবিত রাখতেই গরম গরম ভাষণ দিয়েছেন তিনি।

কর্মীদের উদ্দেশে শ্রীরামপুরের সাংসদ আরও বলেন, “যারা দল থেকে চলে যাওয়ার চলে গেছে। বদ রক্ত বেরিয়ে গিয়েছে। তারাই আসল মাল কামিয়েছিল। সেই জন্যই গিয়েছে। আর এখন যারা আছে, তারাই সম্পদ। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের নামটাই যথেষ্ট। ওই নাম নিয়ে হিমালয় পেরিয়ে যেতে পারি, বিজেপি তো কোন ছাড়!”

বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায়ের মন্তব্যের কড়া সমালোচনা করেন। তিনি বলেন, “এসব কথা হতাশা থেকে বলছেন কল্যাণবাবু। উনিও বুঝতে পেরে গিয়েছেন মানুষ আর ওঁদের সঙ্গে নেই। তাই উনি ওই ধরনের বেফাঁস মন্তব্য করে ফেলেছেন। কেননা আর গুন্ডাবাজি করে জিততে পারবে না তৃণমূল।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।