স্টাফ রিপোর্টার, বারাকপুর: আমবাঙালির উৎসবের মরশুম প্রায় শেষের মুখে। আর শেষ মুহূর্তের দীপাবলির আনন্দের স্বাদ চেটেপুটে নিতে অনেক আগেই রাস্তায় বেরিয়ে পড়েছে উৎসব প্রিয় বাঙালি। শহর থেকে শুরু করে মফস্বল জেলাগুলি সব জায়গাতেই কালীপুজোকে কেন্দ্র করে মণ্ডপে মণ্ডপে দর্শনার্থীদের ঢল নেমেছে। দুপুর পার করে সময় যতই সন্ধ্যার দিকে গড়িয়েছে ততই শহরের রাজপথের সঙ্গে পাল্লা ভিড় বেড়েছে বিভিন্ন জেলার অলিগলির পুজো মণ্ডপ গুলিতে। সবমিলিয়ে শেষ মুহূর্তের আনন্দের স্বাদ নিতে ব্যস্ত হয়ে উঠেছে আমজনতা।

আর উৎসব-পার্বণ প্রিয় বাঙালির উৎসবের আমেজকে ভরপুর করে তুলতে দুর্গাপুজোর মতন পিছিয়ে নেই কালীপুজোর উদ্যোক্তারা। কালীপুজোতেও শহর থেকে জেলা সব জায়গাতেই রয়েছে থিমের ছড়াছড়ি। থিমের পুজোর সঙ্গে পাল্লা দিতে পিছিয়ে নেই উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলাও। এই জেলার হাবরা, বারাসাত, মধ্যমগ্রাম শহরেও জমে উঠেছে কালীপুজো। সমসাময়িক থেকে শুরু করে প্রাচীন কালের বিভিন্ন ঐতিহ্যকে থিমের আকারে দর্শকদের সামনে ফুটিয়ে তুলেছে এইসব মফস্বল শহরের বিভিন্ন ছোটবড় পুজো উদ্যোক্তারা।

আরও পড়ুন – আরশোলা মারতে বিস্ফোরণ, যেন মশা মারতে কামান দাগার কাণ্ড

থিমের পুজোয় পিছিয়ে নেই উত্তর চব্বিশ পরগনা জেলার মনিরামপুর। ছোট্ট এই মফস্বল শহরের মনিরামপুরের ইউনিভার্স ক্লাবের পুজো এইবছর ৯৩ বছরে পদার্পণ করেছে । জানা গিয়েছে, এইবছর তাঁদের থিম বিশ্ব শান্তি ও পরিবেশ সচেতনতার বার্তাকে থিম ভাবনায় ফুটিয়ে তুলেছেন এই পুজোর উদ্যোক্তারা। বিশ্ব উষ্ণায়নের হাত থেকে বাঁচাতে কিভাবে সবুজায়ন করে জীবজগৎকে রক্ষা করা যায় তা পুজোর উদ্যোক্তারা তাদের মণ্ডপ সজ্জার মাধ্যমে দর্শনার্থীদের সামনে তুলে ধরেছেন।

শুধু তাই নয়, এখানে শ্যামা মা বিশ্ব শান্তির প্রতীক হিসেবে চিহ্নিত। মায়ের হাতে নেই কোনও অস্ত্র। প্রত্যেক বছরই এই পুজো দর্শনার্থীদের আকর্ষণের কেন্দ্রে থাকে বলে জানিয়েছেন ক্লাব কর্তৃপক্ষ । সূত্রের খবর, পুজোর দিনগুলিতে উদ্যোক্তারা নানান সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করেন। এখানকার চন্দন নগরের আলোকসজ্জা মন কেড়ে নিচ্ছে ঠাকুর দেখতে আসা দর্শনার্থীদের। সব মিলিয়ে উৎসব মুখর আবহে শ্যামা পুজোর চারদিন বেশ আনন্দে কাটান মনিরামপুর এলাকার বাসিন্দারা।

Proshno Onek II First Episode II Kolorob TV