স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাস্তায় হাঁটার সময় সর্বদা ফুটপাথ ব্যবহারের পরামর্শ দেয় কলকাতা পুলিশ। অনেকেই সেকথায় কান দেয় না। আবার অনেকের ইচ্ছে থাকলেও সবসময় উপায় থাকে না। যেমনটা দেখা যাচ্ছে, মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের বাড়ির অদূরে হাজরা রোডে।

হাজরা রোডের উপরেই ফুটপাথের একাংশ বন্ধ করে একটি বাড়ি নির্মাণ করা হচ্ছে। 73 নম্বর অন্তরগত ওই রাস্তার ফুটপাথ বন্ধ থাকায় অগত্যা বড় রাস্তা দিয়েই হাঁটতে হচ্ছে পথচারীদের। যা নিয়ে পথচলতি লোকদের তো বটেই স্থানীয় বাসিন্দাদের মধ্যেও ক্ষোভ তৈরি হয়েছে।

জানা গিয়েছে, নির্মিয়মান বাড়িটিতে সরকারি স্বাস্থ্যকেন্দ্র হওয়ার কথা। কিন্ত তা সত্ত্বেও প্রায় দুবছর ধরে ফুটপাথ বন্ধ থাকায় অনেকেই বিরক্ত। স্কুল থেকে বাচ্ছাকে নিয়ে ফেরার সময় সৈকত গুপ্ত নামে এক পথচারী বলেন, হাজরা রোড খুবই ব্যস্ত একটা রাস্তা। গাড়িগুলো যখন যায় তখন বাচ্ছাদের নিয়ে রাস্তার ধার ঘেঁষে হাঁটাটা খুবই ঝুঁকিপূর্ণ। ফুটপাথ সবসময় ফাঁকা রাখা উচিত।

রবি দাস নামে স্থানীয় এক বাসিন্দা বলেন, ফুটপাথটা হাঁটাচলার জন্য। সেটা এতদিন কেন বন্ধ করে কাজ করছে বুঝতে পারছি না। আসলে কেউ কিছু বলার নেই বলে যে যা পারছে তাই করছে।

নির্মিয়মান বাড়িটির গা ঘেঁষে আর একটি বহুতল তৈরি হয়েছে। স্থানীয়দের কেউ কেউ দাবি করছেন, বাড়িটি মুখ্যমন্ত্রীর ভাইয়ের। সেই বাড়িটির সামনের ফুটপাথও আবর্জনায় ভর্তি হয়ে রয়েছে। যা নিয়েও ক্ষোভ প্রকাশ করেছেন স্থানীয়রা।

স্থানীয় জন প্রতিনিধিকে কি সমস্যার কথা জানিয়েছিলেন?সুভাষ মজুমদার নামে এক ব্যক্তি বলেন, উনি তো সবসময়ই দেখছেন। ওনার চোখের আড়ালে তো কিছু হচ্ছে না। সাধারণ মানুষের সমস্যা দেখেও যদি চোখ বন্ধ রাখেন তাহলে আর কি বলব? এব্যাপারে প্রতিক্রিয়া জানার জন্য কাউন্সিলর রতন মালাকারের সঙ্গে ফোনে যোগাযোগের চেষ্টা করা হয়েছিল। কিন্তু তিনি ফোন ধরেননি।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.