স্টাফ রিপোর্টার, বালুরঘাট: লকডাউন মেনে সোশ্যাল ডিস্ট্যানসিং বজায় রাখতে আগামী চৈত্র সংক্রান্তির বিশেষ পুজোতে পুণ্যার্থীদের ভোগ নিবেদন ও মন্দিরে প্রবেশে নিষেধাজ্ঞা ঘোষণা করলো কমিটি। বালুরঘাটে অবস্থিত অবিভক্ত দিনাজপুরের অধিষ্ঠাত্রী দেবী বুড়িমাকালীর মন্দির। প্রতি বছর কয়েক হাজার ভক্তের সমাগমে চৈত্র সংক্রান্তিতে প্রায় শতাব্দী প্রাচীন এই মন্দিরে দেবীর বিশেষ পূজা ও ভোগ নিবেদন হয়ে থাকে।

করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে লক ডাউনকে মান্যতা দিয়ে শুধুমাত্র পুরোহিত ও সেবাইত ছাড়া এবারে এই দিন মন্দির প্রাঙ্গন অন্যান্যদের জন্য বন্ধ রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে কমিটি। মঙলবার প্রশাসনের সঙ্গে বৈঠকে পর এই সিদ্ধান্তের কথা ঘোষণা করা হয়। প্রায় সাড়ে তিনশো বছরেরও প্রাচীন এই মন্দিরে নিত্যদিন নিয়মিত রক্ষাকালীর পুজো হয়ে আসছে। কার্তিকী অমাবশ্যায় হয়ে থাকে প্রধান পুজো।

সেই সঙ্গে চৈত্র সংক্রান্তির রাতে হয় বিশেষ পুজো। কার্তিকী অমাবশ্যার মতো চৈত্র সংক্রান্তি ও পয়লা বৈশাখ দুইদিনই কয়েক হাজার পুণ্যার্থীর ভিড় জমে মন্দির প্রাঙ্গনে। করোনা সংক্রমণ প্রতিরোধে প্রশাসনের নির্দেশ পালনে লক ডাউনের প্রথম দিন থেকেই বন্ধ করে দেওয়া হয়েছে মন্দিরের গেট।

মঙ্গলবার প্রশাসনের সঙ্গে আলোচনা শেষে মন্দির কমিটির সভাপতি তথা প্রাক্তনমন্ত্রী শঙ্কর চক্রবর্তী জানিয়েছেন, সোশ্যাল ডিস্ট্যানসিং বজায় রাখতে ও লকডাউনকে মান্যতা দিতেই এই সিদ্ধান্ত। পাশাপাশি তিনি একথাও জানান যে, ভক্তদের দেওয়া জমানো অর্থ থেকে পঞ্চাশ হাজার টাকা মুখ্যমন্ত্রী ত্রাণ তহবিলে দান করা হয়েছে এদিন।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।