স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: লোকসভা ভোটের ফলাফল প্রকাশিত হওয়ার পর এই প্রথম সাংগঠনিক বৈঠকে যোগ দিল রাজ্য বিজেপি৷ মঙ্গলবার মহারাষ্ট্র নিবাসে রাজ্য বিজেপির অভ্যন্তরীণ বৈঠকে উপস্থিত ছিলেন শীর্ষ নেতারা৷ রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়, অরবিন্দ মেনন, শিবপ্রকাশ উপস্থিত ছিলেন৷ রাজ্য বিজেপি সভাপতি দিলীপ ঘোষ, প্রাক্তন সভাপতি রাহুল সিনহা, সাধারণ সম্পাদক প্রতাপ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ ছিলেন আরও বেশ কয়েকজন৷ বিজেপির বিধায়ক, সাংসদ ও বিজেপিতে যারা নতুন যোগদান করেছেন তারাও উপস্থিত ছিলেন এদিনের বৈঠকে৷

মঙ্গলবারের এই সাংগঠনিক বৈঠকে লোকসভা নির্বাচনের ফলাফল বিশ্লেষণ করা হয়৷ ২০২১ সালের বিধানসভা নির্বাচনের প্রেক্ষিতে প্রাথমিক পরিকল্পনা আলোচিত হয়৷ এই বৈঠকে ফের বিজেপির নিশানায় উঠে আসে পশ্চিমবঙ্গের মু্খ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়৷ এদিন মমতাকে কটাক্ষ করে বিজয়বর্গীয় বলেন জয় শ্রী রাম বলতে কোথায় আপত্তি মমতার? এটা কোনও রাজনৈতিক শ্লোগান নয়৷ তাহলে মমতা কেন প্রতিক্রিয়া দিচ্ছেন?

আরও পড়ুন : ঈদে বাড়ির টানে…ট্রেন-বাস-ফেরিতে বাদুড়ঝোলা পরিস্থিতি

এদিন কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেন রাজ্যে রাজনৈতিক হিংসার মাত্রা বাড়ছে৷ কিন্তু রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী সেকথা মানতে নারাজ৷ বিজয়বর্গীয়র আশ্বাস,  বিজেপি ক্ষমতায় এলে হিংসামুক্ত হবে বাংলা৷বাংলার জন্য আচ্ছে দিন আসছে বলেও এদিন মন্তব্য করেন রাজ্য বিজেপির এই পর্যবেক্ষক৷

এর আগে, কৈলাস বিজয়বর্গীয় বলেছিলেন জয় শ্রী রাম স্লোগান দেওয়ার পুলিশ আটক করছে। এটা বাংলার লজ্জা। উল্লেখ্য, শনিবার সোশ্যাল মিডিয়াতে একটি ভিডিও ভাইরাল হয়েছে৷ তাতে দেখা যাচ্ছে নির্বাচনী প্রচারে চন্দ্রকোনার পাশ দিয়ে যাওয়ার সময় মুখ্যমন্ত্রীর কনভয়ের সামনে ‘জয় শ্রী রাম’ স্লোগান দেন কিছু সাধারণ গ্রামবাসী৷ আর তাতেই চটে গিয়ে গিয়ে কনভয় থামিয়ে রাস্তায় নেমে এসে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাকে গালাগাল দিচ্ছে! সাহস থাকলে সামনে আয়৷

আরও পড়ুন : কংগ্রেস নেত্রী রেশমা খুনে গ্রেফতার AIMIM নেতা তৌফিক

মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই ধরণের ক্রিয়াকলাপ আসলে তোষণ বলে অভিযোগ করেন বিজেপি নেতা কৈলাস। যার ফলে রাজ্যে অনুপ্রবেশ বাড়ছে বলেও দাবি করেন তিনি। তাঁর কথায়, “মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের এই তোষণের রাজনীতির কারণে অনুপ্রবেশ বাড়ছে। আর এই কারণেই বাংলাকে টার্গেট করেছে ইসলামিক স্টেট। শীঘ্রই বাংলায় আইএস ঘাঁটি করতে চলেছে বলে জানিয়েছে। এই সবই হচ্ছে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তোষণের রাজনীতির কারণে।”

একই সঙ্গে তিনি আরও বলেছিলেন, “পাকিস্তানের মাটিতে হতে পারে কিন্তু ভারতে কোথাও জয় শ্রী রাম বললে না কেউ অসন্তুষ্ট হয় না কাউকে জেলে যেতে হয়। কিন্তু বাংলায় জয় শ্রী রাম বলার জন্য তাঁকে থানায় আটক করা হয়। এটা বাংলার দুর্ভাগ্য।”

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

কোনগুলো শিশু নির্যাতন এবং কিভাবে এর বিরুদ্ধে রুখে দাঁড়ানো যায়। জানাচ্ছেন শিশু অধিকার বিশেষজ্ঞ সত্য গোপাল দে।