স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় এবং প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর প্রস্তাবিত বৈঠক এবং সারদা অভিযুক্ত আইপিএস অফিসার রাজীব কুমারের অন্তর্ধান এখন রাজ্য রাজনীতির আলোচ্য বিষয়। রাজ্য বিজেপির পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয় মুখ্যমন্ত্রী-প্রধানমন্ত্রীর বৈঠককে সংসদীয় আখ্যা দিলেও রাজীব কুমারের অন্তর্ধান নিয়ে রাজনীতির সুযোগ ছাড়েননি।

কৈলাস বলেছেন, রাজীব কুমারের তদন্তের নেমে সিবিআই যা তথ্য পাবে, তাকে রাজ্য সরকারের অর্ধেক মন্ত্রী কাঠগোড়ায় দাঁড়াবেন।

একই রকম মন্তব্য, কিছুদিন আগেই রাজ্য বিজেপির সভাপতি দিলীপ ঘোষও করেছিলেন। সল্টলেকের পূর্বাঞ্চলীয় সাংস্কৃতিক কেন্দ্রে বিজেপি মহিলা মোর্চার একটি অনুষ্ঠানের শেষে প্রশ্নের জবাবে দিলীপ বলেন, আমার ক্ষমতা থাকলে অনেকেই এখন জেলে থাকতেন।

কৈলাস বলেছেন, যুক্তরাষ্ট্রীয় পরিকাঠামোর মুখ্যমন্ত্রী রাজ্যের উন্নয়নের জন্য প্রধানমন্ত্রীর সঙ্গে দেখা করবেন এটাই স্বাভাবিক। কিন্তু, নীতি আয়োগের বৈঠকে, মুখ্যমন্ত্রীদের বৈঠকে তিনি যান না প্রধানমন্ত্রী ডাকা সত্ত্বেও। এখন যাওয়ার প্রয়োজন হলো কেন? লোকে বলছে, রাজীব কুমারের জন্য যাচ্ছেন না তো?

একই লাইনে মমতাকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না মুকুলও। মুকুল বলেছেন, শেষ পর্যন্ত মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদীর কাছে যেতেই হচ্ছে। মুকুলের বক্তব্য, নীতি আয়োগের বৈঠকে গেলেন না মমতা, রাজ্যের দেনা পাওনার হিসাব যখন হয় তখন যান না, যখন মুখ্যমন্ত্রীদের নিয়ে বৈঠক হয় তখনও মমতা যান না। তবে হঠাৎ কেন যেতে হচ্ছে তা রাজবাসী সন্দেহের চোখে দেখছে। তবে মুকুলের বক্তব্য, সংসদীয় গণতন্ত্রে রাজ্যের মুখ্যমন্ত্রী প্রধানমন্ত্রীর কাছে সময় চাইতেই পারেন। কিন্তু, এই সময়টা নিয়েই সন্দেহ।