স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: বিজেপির পার্টি অফিসের সামনে দলত্যাগী সাংসদ সুনীল মণ্ডলের গাড়িতে হামলার অভিযোগ তুলে কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী অমিত শাহকে চিঠি দিলেন বিজেপি-র পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।পাশাপাশিই তিনি ফোনেও কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীর সঙ্গে কথা বলেন।

বিজেপি সূত্রের খবর, কৈলাস কেন্দ্রীয় স্বরাষ্ট্রমন্ত্রীকে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গে যে আইনশৃঙ্খলা পুরোপুরি ভেঙে পড়েছে, এই ঘটনাই তার প্রমাণ। সুনীলের গাড়ির উপর ‘হামলা’র অভিযোগের পাশাপাশি কিছুদিন আগে ডায়মন্ড হারবার যাওয়ার পথে বিজেপি সভাপতি জেপি নড্ডার গাড়ির উপর হামলার ঘটনাও জুড়ে দিতে চাইছে রাজ্য বিজেপি।

শনিবার সকালে বিজেপিতে আসা নবাগতদের সংবর্ধনা দেওয়ার কথা ছিল বিজেপির তরফে। সেই মতো বিজেপির হেস্টিংস অফিসে সকাল সাড়ে দশটা নাগাদ আসেন তৃণমূল থেকে সদ্য বিজেপিতে যোগ দেওয়া সাংসদ সুনীল মণ্ডল (Sunil Mandal)। বিজেপির অভিযোগ, সাংসদ আসতেই তাঁর গাড়ি ঘিরে ধরে স্থানীয় তৃণমূল কর্মীরা। ঝান্ডা দিয়ে গাড়ির বনেটে মারা হয় বলেও অভিযোগ। তাঁকে কালো পতাকা দেখানো হয়। পুলিশ এসে বিক্ষোভকারীদের সরাতে চেষ্টা করলেও সংখ্যা কম থাকায় তারা সেটা করতে পারেনি। ততক্ষণে অকুস্থলে এসে পৌঁছে যান বিজেপি-র কর্মী-সমর্থকরাও। পরে বাড়তি পুলিশ এনে সুনীলের গাড়ি ঘেরাওমুক্ত করা হয়। তিনি দফতরে প্রবেশ করতে পারেন।প্রসঙ্গত উল্লেখ্য অমিত শাহের মেদিনীপুরের সভাতেই শুভেন্দু অধিকারীর হাত ধরে বিজেপিতে যোগ দেন তৃণমূল কংগ্রেস সাংসদ সুনীল মণ্ডল।

বিক্ষোভের ঘটনা প্রসঙ্গে এদিন শুভেন্দু অধিকারী বলেন, ‘‘লজ্জা লাগে ভাবতে যে, ২১ বছর ওই দলটা করেছি!’’ তিনি আরও বলেন, ‘‘তৃণমূল তো একটা কোম্পানি। প্রাইভেট লিমিটেড কোম্পানি! এতদিন কোম্পানিতে ছিলাম। এখন রাজনৈতিক দলে এসেছি।’’সুনীল মণ্ডলের উপর হামলার ঘটনার তীব্র নিন্দা করেছেন বিজেপির অন্য নেতারাও।

লাল-নীল-গেরুয়া...! 'রঙ' ছাড়া সংবাদ খুঁজে পাওয়া কঠিন। কোন খবরটা 'খাচ্ছে'? সেটাই কি শেষ কথা? নাকি আসল সত্যিটার নাম 'সংবাদ'! 'ব্রেকিং' আর প্রাইম টাইমের পিছনে দৌড়তে গিয়ে দেওয়ালে পিঠ ঠেকেছে সত্যিকারের সাংবাদিকতার। অর্থ আর চোখ রাঙানিতে হাত বাঁধা সাংবাদিকদের। কিন্তু, গণতন্ত্রের চতুর্থ স্তম্ভে 'রঙ' লাগানোয় বিশ্বাসী নই আমরা। আর মৃত্যুশয্যা থেকে ফিরিয়ে আনতে পারেন আপনারাই। সোশ্যালের ওয়াল জুড়ে বিনামূল্যে পাওয়া খবরে 'ফেক' তকমা জুড়ে যাচ্ছে না তো? আসলে পৃথিবীতে কোনও কিছুই 'ফ্রি' নয়। তাই, আপনার দেওয়া একটি টাকাও অক্সিজেন জোগাতে পারে। স্বতন্ত্র সাংবাদিকতার স্বার্থে আপনার স্বল্প অনুদানও মূল্যবান। পাশে থাকুন।.

করোনা পরিস্থিতির জন্য থিয়েটার জগতের অবস্থা কঠিন। আগামীর জন্য পরিকল্পনাটাই বা কী? জানাবেন মাসুম রেজা ও তূর্ণা দাশ।