স্টাফ রিপোর্টার, কলকাতা: রাজ্যের মাত্র ৩০ শতাংশ মানুষের মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়। বাগবাজার ঘাটে তর্পণে পুলিশের বাধা পেয়ে এভাষাতেই মুখ্যমন্ত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়কে কড়া ভাষায় আক্রমণ করলেন পশ্চিমবঙ্গের বিজেপির কেন্দ্রীয় পর্যবেক্ষক কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

বুধবার গোলাবাড়ি ঘাটে তর্পণ সেরে মুখ্যমন্ত্রীর বিরুদ্ধে ক্ষোভ উগরে দেন কৈলাশ। তিনি বলেন, “রাজ্যের ৭০ শতাংশ মানুষের অধিকার ছিনিয়ে নেওয়া হয়েছে। এটা রাজ্যের ৩০ শতাংশ মানুষের সরকার। মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের শাসনে কি আমরা তর্পণও করতে পারব না?’

কৈলাশের তোপ,”মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় লকডাউন করেন শুক্রবার এবং মহরমকে বাঁচিয়ে।” গত বছরের মতো এবছরও মহালয়ায় ‘শহিদ’ দলীয় কর্মীদের উদ্দেশে তর্পণ করার উদ্যোগ নিয়েছিলেন বিজেপি নেতারা। তর্পণের জন্য নির্ধারিত দিনে একদিন আগে বাগবাজার ঘাটে মুকুল রায় ও কৈলাশ বিজয়বর্গীয় নেতৃত্বে এই কর্মসূচির পালনের জন্য অনুমতি চাওয়া হয়।

কিন্তু করোনা পরিস্থিতির মধ্যে এই উদ্যোগ নিয়ে কিছুটা হলেও জটিলতা তৈরি হয়। বাগবাজার ঘাটে তর্পণের জন্য বাঁধা মঞ্চ খুলে দেয় পুলিশ। প্রচুর পুলিশও মোতায়েন করা হয়। বাগবাজার ঘাটে বাধা পেয়ে কৌশল বদলান কৈলাশ-মুকুলরা। তাঁরা পথ পরিবর্তন করে চলে যান গোলাবাড়ি ঘাটে। সেখানে সমস্ত শহিদ পরিবারের সদস্যদের নিয়ে ঘাটে বসে শহিদ-তর্পণ করেন মুকুল রায়-কৈলাশ বিজয়বর্গীয়।

এদিন মুকুল রায় বলেন, “করোনাকে অজুহাত করে বিজেপিকে আটকানো হচ্ছে। তর্পণ করতে পুলিশের অনুমতি লাগে একথা জীবনে কোনও দিন শুনিনি। ২০২১ এর ভোটে এই সরকারের বিদায় আসন্ন।”

ফাইল ছবি

বিজেপি নেতা রাহুল সিনহা বলেন, “বিজেপিকে থামানো যাবে না। এই সরকারের গঙ্গাপ্রাপ্তি হবে।”

তৃণমূল সাংসদ সাংসদ সৌগত রায় বলেন, “ধর্মীয় অনুষ্ঠানকে রাজনৈতিকভাবে ব্যবহার করছিল বিজেপি। পুলিশ সোশ্যাল ডিসট্যান্সিং বজায় রাখতে তাদের আটকেছে।”

প্রশ্ন অনেক-এর বিশেষ পর্ব 'দশভূজা'য় মুখোমুখি ঝুলন গোস্বামী।