ফাইল ছবি। প্রতিবেদনের সঙ্গে কোনও যোগ নেই।

কলকাতা:  গত কয়েকদিন আগেই রাম মন্দির নিয়ে ঐতিহাসিক রায় দিয়েছে সুপ্রিম কোর্ট। এই রায়ের কয়েকদিন কেটে গেলেও এখনও পর্যন্ত এই নির্দেশ নিয়ে কোনও মন্তব্য করেনি তৃণমূল। দলনেত্রী মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় তো বটেই, তৃণমূলের কোনও শীর্ষ নেতৃত্ব এই বিষয়ে কোনও মন্তব্য করেননি। ঐতিহাসিক এই রায় নিয়ে তৃণমূল কোনও মন্তব্য না করায় তা নিয়ে তীব্র জল্পনা তৈরি হয়েছে। অনেকেই বলছেন, ভোট কৌশলি প্রশান্ত কিশোরের পরামর্শেই নাকি মমতা থেকে তৃণমূলের কেউই রাম মন্দির নিয়ে মন্তব্য করছেন না।

কিন্তু তাতে কি বিতর্ক থামছে! না। বরং রামমন্দির নিয়ে তৃণমূলের তরফে কোনও প্রতিক্রিয়া না মেলায় রাজ্যের শাসকদলকে কটাক্ষ করতে ছাড়ছেন না বিজেপি নেতারা। বিজেপির সর্বভারতীয় সাধারণ সম্পাদক কৈলাস বিজয়বর্গীয় এক ট্যুইটে তৃণমূলের বিরুদ্ধে তোপ দেগে জানিয়েছেন, পশ্চিমবঙ্গের শাসকদল আশ্চর্য রকমের চুপচাপ হয়ে গিয়েছে। সব বিষয়ে যাদের তৎক্ষণাৎ প্রতিক্রিয়া দেওয়ায় জুরি মেলা ভার, রামমন্দির নিয়ে তাদের এই নীরবতা নিয়ে অবাক লাগছে। শুধু তাই নয়, এই বিষয়ে তৃণমূল নেতা-মন্ত্রীদের পরামর্শও দিয়েছেন কৈলাশ।

তাঁর আবেদন, রামমন্দির নিয়ে মনের কথা খুলে বলুন। সোশ্যাল মিডিয়ার কৈলাস আরও লিখেছেন, মমতা দিদি এই ইস্যুতে ভোটের রাজনীতি করবেন না।

বলা বাহুল্য, মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের তরফ থেকে কোন ট্যুইট না পাওয়ার বিষয়টি যে কারোর চোখ এড়িয়ে যায়নি। তবে অযোধ্যা নিয়ে বিতর্ক এড়িয়ে চলার ব্যাপারে সতর্ক করেছিলেন মুখ্যমন্ত্রী। পাশাপাশি, সাইক্লোন বুলবুল নিয়েও রাজ্যের মানুষদের সতর্কবার্তা দিয়েছিলেন তিনি। সম্প্রতি অযোধ্যা রায় নিয়ে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায় একটি কবিতা লিখেছেন এবং নিজের বক্তব্য সহ দৃষ্টিকোণকে নিজের স্টাইলে তুলে ধরেছিলেন। যদিও বিজেপি এই কাজকে রাজনৈতিক পদক্ষেপ হিসেবেই দেখেছে এবং রাজনৈতিক তকমা দিয়েছে। ভোট ব্যাংক সামলাতেই নাকি এই পদক্ষেপ, এমনটাও জানা গিয়েছে বিজেপির তরফে।