প্রতীতি ঘোষ, বারাকপুর : “মণীশ শুক্লার মৃত্যুর চড়া দাম দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে। এই খুনের ঘটনা এত সহজে আমরা ছেড়ে দেব না। আর মাত্র ৬ মাসের অপেক্ষা, তারপর ভারতীয় জনতা পার্টির সরকার আসবে।

এই খুনের ঘটনায় যে নেতা, পুলিশ কর্মী বা সরকারি আধিকারিকরা জড়িত, তাদের সবাইকে জেলে যেতে হবে । আমরা কাউকে ছাড়ব না । আগে আমরা শুনতাম পশ্চিম বাংলায় বোমা, গুলি চলে । এখন দেখছি কার্বাইন চলছে, বাইরে থেকে শ্যুটার আসছে।

একটা মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনা তৃণমূল সরকারের চেয়ারের একটা পা ভেঙে দিয়েছে । এখন ৩ পায়ে দাঁড়িযে আছে, সেটা টলমল করছে । যখন তখন তিন পায়ার চেয়ার পড়ে যাবে।”

উত্তর ২৪ পরগনার ব্যারাকপুরে মণীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় সিবিআই তদন্ত দাবি করে বিজেপির ডাকা হাল্লাবোল মিছিলে অংশ নিয়ে এই মন্তব্য করেন কৈলাশ বিজয়বর্গীয় । বিজেপি নেতা মনীশ শুক্লা খুনের ঘটনায় হাল্লাবোল মিছিল করল বিজেপি কর্মী সমর্থকরা।

টিটাগড় থানার সামনে যেখানে মণীশ শুক্লাকে গুলিতে ঝাঁঝরা করে হত্যা করে দুষ্কৃতীরা সেখান থেকে বারাকপুর চিড়িয়ামোড় পর্যন্ত এই হাল্লাবোল মিছিল অনুষ্ঠিত হয়।

বিজেপির এই মিছিলের নেতৃত্বে ছিলেন বারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং, মুকুল রায়, লকেট চট্টোপাধ্যায়, সব্যসাচী দত্ত, বিধায়ক সুনীল সিং, রবীন্দ্রনাথ ভট্টাচার্য্য, উমা শঙ্কর সিং । মিছিলের শেষ পর্যায়ে সোজা ব্যাঙ্গালোর থেকে কলকাতা হয়ে বারাকপুরের হাল্লাবোল মিছিলে যোগ দেন কেন্দ্রীয় বিজেপি নেতা কৈলাস বিজয়বর্গীয়।

মণীশ শুক্লা খুনের তদন্ত ভার সিবিআই কে দিতে হবে, এই দাবিতে এদিনের মিছিলের আয়োজন করা হয়।

মিছিলে উপস্থিত ব্যারাকপুরের বিজেপি সাংসদ অর্জুন সিং বলেন, “সি আই ডি তদন্তে আস্থা নেই । লিখিত অভিযোগ পত্রে মূল অভিযুক্ত যারা তাদের কাউকে সি আই ডি গ্রেপ্তার করেনি । সি আই ডি রাজ্য সরকারের কথায় এই তদন্ত প্রক্রিয়াকে ধামা চাপা দিতে চাইছে । আসল অপরাধী এখনো অধরা । আমরা চাই সিবিআই এই ঘটনার তদন্ত করুক । নিরপেক্ষ তদন্ত না হলে আসল অপরাধী ধরা পড়বে না ।”

কৈলাশ বিজয়বর্গীয় বলেন, “তৃণমূল আসল অপরাধীদের আড়াল করতে চাইছে । তবে মণীশ খুনের ঘটনায় চড়া দাম দিতে হবে মমতা বন্দ্যোপাধ্যায়ের সরকারকে ।”এদিনের বিজেপির মিছিলে কয়েক হাজার সমর্থক অংশ নিয়েছিল ।

সপ্তম পর্বের দশভূজা লুভা নাহিদ চৌধুরী।